ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

চার ঘণ্টার ব্যবধানে সাবেক দুই সংসদ সদস্যের মৃত্যু

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

চার ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে চলে গেছেন সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন- সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের দুইবারের সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম তালুকদার এবং বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।

সোমবার দিবাগত রাত ১১টার পরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি গ্রামের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর-চৌহালী) আসনের দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম তালুকদার। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

নুরুল ইসলাম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন নুরুল ইসলাম। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। শাহজাদপুর ও চৌহালী অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং জনকল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ শোকপ্রকাশ করেছেন।

এর চার ঘণ্টা আগে মারা যান বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।

সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মতিউর রহমান। পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন।

২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদার নির্বাচনী প্রচারণায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন শেখ হাসিনা।

সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান।

পরবর্তীতে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ী হলে বরগুনা-৩ আসনটি শূন্য হয়। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার এবং পরে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাননি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চার ঘণ্টার ব্যবধানে সাবেক দুই সংসদ সদস্যের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

চার ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে চলে গেছেন সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন- সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের দুইবারের সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম তালুকদার এবং বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।

সোমবার দিবাগত রাত ১১টার পরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি গ্রামের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর-চৌহালী) আসনের দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম তালুকদার। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

নুরুল ইসলাম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন নুরুল ইসলাম। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। শাহজাদপুর ও চৌহালী অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং জনকল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ শোকপ্রকাশ করেছেন।

এর চার ঘণ্টা আগে মারা যান বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।

সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মতিউর রহমান। পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন।

২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদার নির্বাচনী প্রচারণায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন শেখ হাসিনা।

সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান।

পরবর্তীতে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ী হলে বরগুনা-৩ আসনটি শূন্য হয়। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার এবং পরে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাননি।