ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবাদ করাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হাসিনা : প্রেস সচিব

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

যেকোনো বিষয়ে প্রতিবাদ করাকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুল আলম বলেন, একটি ন্যারেটিভ আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবাদ করাটা ন্যায়ের অংশ, অথচ শেখ হাসিনা সেটাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এসব লিখে রাখাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

প্রেস সচিব বলেন, ৭৫-এর যে বাকশাল কায়েম করতে চেয়েছিলেন শেখ মুজিব, তা শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করেছে। নয়া দিগন্তসহ দু-একটি গণমাধ্যম ছাড়া ফ্যাসিবাদী সময়ে সব গণমাধ্যম একই সুরে কাজ করেছে, একই বয়ান প্রচার করেছে।

শফিকুল আলম বলেন, একটা দেশের জন্য, বিপ্লবের জন্য, সংবাদপত্র অনেকটাই জরুরি। ইংরেজিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লেখার মতো কেউই ছিল না। একটা ইংরেজি পত্রিকাও তখন হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়নি। দমনপীড়নের গল্পগুলো ইংরেজি পত্রিকায় আসার দরকার ছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

প্রতিবাদ করাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হাসিনা : প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ০৪:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

যেকোনো বিষয়ে প্রতিবাদ করাকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

শফিকুল আলম বলেন, একটি ন্যারেটিভ আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবাদ করাটা ন্যায়ের অংশ, অথচ শেখ হাসিনা সেটাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এসব লিখে রাখাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

প্রেস সচিব বলেন, ৭৫-এর যে বাকশাল কায়েম করতে চেয়েছিলেন শেখ মুজিব, তা শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করেছে। নয়া দিগন্তসহ দু-একটি গণমাধ্যম ছাড়া ফ্যাসিবাদী সময়ে সব গণমাধ্যম একই সুরে কাজ করেছে, একই বয়ান প্রচার করেছে।

শফিকুল আলম বলেন, একটা দেশের জন্য, বিপ্লবের জন্য, সংবাদপত্র অনেকটাই জরুরি। ইংরেজিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লেখার মতো কেউই ছিল না। একটা ইংরেজি পত্রিকাও তখন হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়নি। দমনপীড়নের গল্পগুলো ইংরেজি পত্রিকায় আসার দরকার ছিল।