ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আ. লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার: রিজভী

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর গণভোট চাওয়ার প্রস্তাব মামার বাড়ির আবদারের মতো। জাতীয় নির্বাচনের দিনই যদি গণভোট নেওয়া যায়, তাহলে অতিরিক্ত খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। গণভোটের বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা উচিত- কোন কোন সংস্কার আনা হবে, তা জনগণকে জানাতে হবে।

রিজভী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিতলেই যে জাতীয় নির্বাচনে জিতবে, সেটি ভাবা ভুল। সব পেয়ে গেছি, এটা ভাবলে জামায়াতে ইসলামীর আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কোনো দলের অধীনে নয়, সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়। তাই এই নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। বরং, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে।

রিজভী মনে করেন, একইদিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করলে খরচ কমবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমেও সুবিধা হবে।

তিনি বলেন, গণভোটের প্রস্তাবনা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, সেটি বাস্তবায়নের আগে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে যে কোন কোন বিষয়ে জনমত নেওয়া হবে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনো উস্কানিতে সংযম ও ধৈর্যধারণ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ও আইনত আন্দোলনের পথেই আমাদের এগোতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার নির্দেশে ইশতিয়াক ডিএমপিতে টর্চার সেল বানান

আ. লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার: রিজভী

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

আওয়ামী লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তী সরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর গণভোট চাওয়ার প্রস্তাব মামার বাড়ির আবদারের মতো। জাতীয় নির্বাচনের দিনই যদি গণভোট নেওয়া যায়, তাহলে অতিরিক্ত খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। গণভোটের বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা উচিত- কোন কোন সংস্কার আনা হবে, তা জনগণকে জানাতে হবে।

রিজভী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিতলেই যে জাতীয় নির্বাচনে জিতবে, সেটি ভাবা ভুল। সব পেয়ে গেছি, এটা ভাবলে জামায়াতে ইসলামীর আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কোনো দলের অধীনে নয়, সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়। তাই এই নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। বরং, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে।

রিজভী মনে করেন, একইদিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করলে খরচ কমবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমেও সুবিধা হবে।

তিনি বলেন, গণভোটের প্রস্তাবনা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, সেটি বাস্তবায়নের আগে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে যে কোন কোন বিষয়ে জনমত নেওয়া হবে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেকোনো উস্কানিতে সংযম ও ধৈর্যধারণ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ও আইনত আন্দোলনের পথেই আমাদের এগোতে হবে।