ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশেষ করে অঞ্চলের ভারী ও মাঝারি শিল্পকারখানায়।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়লা খনি থেকে আহরিত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছিল। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট, যা তিনটি ইউনিটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।

এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ দিন পর, আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়।

অন্য দিকে, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ রয়েছে—যা টানা চার বছর আট মাস ধরে অচল অবস্থায় আছে।

ফলে বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবগুলো ইউনিট বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো স্থাপনের পর থেকে কতবার বন্ধ হয়েছে এর কোনো হিসাব কেউ জানাতে পারেননি। ৩টি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উত্তর অঞ্চলে কৃষিতে ও শিল্পতে বিদ্যুতের চরম সংকট চলছে।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলমান ১ ও ৩ নং ইউনিট দুটি বন্ধ হয়ে গেছে। আর আগে থেকেই মেরামতের জন্য ২নং ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মেরামত না করা পর্যন্ত কোনোভাবেই তিনটি ইউনিটের কোনোটি চালু করা সম্ভব নয়। তবে আমরা অতি দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশেষ করে অঞ্চলের ভারী ও মাঝারি শিল্পকারখানায়।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়লা খনি থেকে আহরিত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছিল। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট, যা তিনটি ইউনিটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।

এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ দিন পর, আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়।

অন্য দিকে, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ রয়েছে—যা টানা চার বছর আট মাস ধরে অচল অবস্থায় আছে।

ফলে বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবগুলো ইউনিট বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলো স্থাপনের পর থেকে কতবার বন্ধ হয়েছে এর কোনো হিসাব কেউ জানাতে পারেননি। ৩টি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উত্তর অঞ্চলে কৃষিতে ও শিল্পতে বিদ্যুতের চরম সংকট চলছে।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলমান ১ ও ৩ নং ইউনিট দুটি বন্ধ হয়ে গেছে। আর আগে থেকেই মেরামতের জন্য ২নং ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মেরামত না করা পর্যন্ত কোনোভাবেই তিনটি ইউনিটের কোনোটি চালু করা সম্ভব নয়। তবে আমরা অতি দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।