বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে দেশজুড়ে। দলটির অভ্যন্তরীণ এই নির্বাচনকে ‘স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অনুসরণ’ বলেই দাবি করেছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, এ ধরনের নির্বাচন পদ্ধতি অন্য রাজনৈতিক দল কিংবা সংগঠনের জন্য হতে পারে একটি রোল মডেল।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা পলওয়েল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের আমিরে জামায়াত নির্বাচন। এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার আব্দুর রব।
আব্দুর রব বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এমনকি কঠিন সময়েও তারা নির্বাচন স্থগিত করেনি। তার মতে, কোনো দল বা গোষ্ঠীর অভ্যন্তরে নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা যেমন জরুরি, তেমনি এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চার একটি নজিরও প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, জামায়াতের এই প্রক্রিয়া এখন জাতির জন্যও একটি মডেল হতে পারে।
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উত্তরা পূর্ব জোনের পরিচালক জামাল উদ্দিন এবং উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম।
এদিন উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের মোট ২৭০০ জন ভোটারের মধ্যে ২৫২০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্বে ছিলেন মোট ১৪ জন পোলিং অফিসার। তারা উত্তরা, তুরাগ, দক্ষিণখান, উত্তরখান, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এলাকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়ে এই দায়িত্ব পালন করেন।
ভোটগ্রহণ শেষে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৮ আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক। তিনি বলেন, সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন। এ পদ্ধতি দলের ভেতরে আস্থা ও ঐক্য তৈরি করে।
নির্বাচন ঘিরে উত্তরা অঞ্চলে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও একইভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের পর নতুন আমিরের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন বোর্ড।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 




































