ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ধর্ষণের অভিযোগে ছেলেসহ ইউটিউবার গ্রেফতার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের হাড়োয়া থেকে অরবিন্দকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ভারতীয় ইউটিউবার অরবিন্দ মণ্ডল ও তার ছেলেকে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভূক্তভোগীকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ দেখিয়ে আপত্তিকর ছবি তোলার পর তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ বাংলার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নাবালিকা ছাত্রীর অশ্লীল নোংরা ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করে তাকে প্রথমে ধর্ষণ করে অরবিন্দ মণ্ডল। সে কথা ওই ছাত্রী অরবিন্দ মণ্ডলের ছেলেকে জানালে ছেলেটি নাবালিকার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন। এরপর কিশোরীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে ছেলেও ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী একই পাড়ার বাসিন্দা। কয়েক মাস আগে অরবিন্দ ও তার ছেলে কিশোরী ওই মেয়ের পরিবারকে জানান, মেয়েটিকে নিয়ে তারা রিলস ভিডিও তৈরি করতে চান। প্রতিবেশি হওয়ায় মেয়েটির পরিবার এতে কোনা আপত্তি জানান না।

জানা যায়, ভিডিও শুটের নাম করে মেয়েটিকে নিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলে বিভিন্ন স্থানে যেতেন। এরপর গোপনে মেয়েটির ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন। ওই ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করেই অভিযুক্তরা মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল এবং ধর্ষণসহ নানা ধরনের নির্যাতন শুরু করেন।

 
নির্যাতনের পরিমাণ বাড়তে শুরু করলে গত শনিবার (১১ অক্টোবর) পরিবারের কাছে সব কথা জানায় ওই কিশোরী। এরপর হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
 
ভুক্তভোগীর বাবা একজন পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত হাড়োয়া পুলিশ মাঠে নামেন। রোববার (১২ অক্টোবর) দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বসিরহাট মহকুমা আদালতে নেয়া হয় কিশোরীর জবানবন্দি।
 
এদিকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার পর আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) আদালতে হাজির করা হয় অরবিন্দকে। আর ছেলেকে পাঠানো হয় কিশোর আদালতে।
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্ষণের অভিযোগে ছেলেসহ ইউটিউবার গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

ভারতের হাড়োয়া থেকে অরবিন্দকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ভারতীয় ইউটিউবার অরবিন্দ মণ্ডল ও তার ছেলেকে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভূক্তভোগীকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ দেখিয়ে আপত্তিকর ছবি তোলার পর তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ বাংলার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নাবালিকা ছাত্রীর অশ্লীল নোংরা ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করে তাকে প্রথমে ধর্ষণ করে অরবিন্দ মণ্ডল। সে কথা ওই ছাত্রী অরবিন্দ মণ্ডলের ছেলেকে জানালে ছেলেটি নাবালিকার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন। এরপর কিশোরীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে ছেলেও ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী একই পাড়ার বাসিন্দা। কয়েক মাস আগে অরবিন্দ ও তার ছেলে কিশোরী ওই মেয়ের পরিবারকে জানান, মেয়েটিকে নিয়ে তারা রিলস ভিডিও তৈরি করতে চান। প্রতিবেশি হওয়ায় মেয়েটির পরিবার এতে কোনা আপত্তি জানান না।

জানা যায়, ভিডিও শুটের নাম করে মেয়েটিকে নিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলে বিভিন্ন স্থানে যেতেন। এরপর গোপনে মেয়েটির ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন। ওই ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করেই অভিযুক্তরা মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল এবং ধর্ষণসহ নানা ধরনের নির্যাতন শুরু করেন।

 
নির্যাতনের পরিমাণ বাড়তে শুরু করলে গত শনিবার (১১ অক্টোবর) পরিবারের কাছে সব কথা জানায় ওই কিশোরী। এরপর হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
 
ভুক্তভোগীর বাবা একজন পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত হাড়োয়া পুলিশ মাঠে নামেন। রোববার (১২ অক্টোবর) দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বসিরহাট মহকুমা আদালতে নেয়া হয় কিশোরীর জবানবন্দি।
 
এদিকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার পর আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) আদালতে হাজির করা হয় অরবিন্দকে। আর ছেলেকে পাঠানো হয় কিশোর আদালতে।