ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ অধিবেশনে ফিলিস্তিন-রোহিঙ্গা-সুশাসন ইস্যুতে জোর দিন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের চলমান অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো গাজায় চলমান গণহত্যা। ইসরায়েলের নির্মমতা সহ্য করার মতো নয়। অনেক দেশ তাদের পুরোনো পররাষ্ট্রনীতি পরিবর্তন করে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশেরও দীর্ঘদিনের বন্ধুদেশ হিসেবে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা উচিত।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে হবে। সুশাসনের জন্য চলমান সংগ্রাম, নানা সময়ে দেশের বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচারের সঠিক জবাব এবং পাচার হওয়া টাকা উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা জরুরি। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের সহযোগী খুনি–দুর্নীতিবাজদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলতে হবে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো তাদের পুনর্বাসন ও প্রত্যাবাসনে কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। কেবল মানবিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। সভ্যতার এই যুগে লাখো মানুষকে নির্যাতন করে দেশান্তরিত করা হলেও জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল অপ্রতুল। জাতিসংঘ অধিবেশনে এই বিষয়টিও বলিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

জাতিসংঘ অধিবেশনে ফিলিস্তিন-রোহিঙ্গা-সুশাসন ইস্যুতে জোর দিন

আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘের চলমান অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো গাজায় চলমান গণহত্যা। ইসরায়েলের নির্মমতা সহ্য করার মতো নয়। অনেক দেশ তাদের পুরোনো পররাষ্ট্রনীতি পরিবর্তন করে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশেরও দীর্ঘদিনের বন্ধুদেশ হিসেবে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা উচিত।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে হবে। সুশাসনের জন্য চলমান সংগ্রাম, নানা সময়ে দেশের বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচারের সঠিক জবাব এবং পাচার হওয়া টাকা উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা জরুরি। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের সহযোগী খুনি–দুর্নীতিবাজদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলতে হবে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো তাদের পুনর্বাসন ও প্রত্যাবাসনে কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। কেবল মানবিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। সভ্যতার এই যুগে লাখো মানুষকে নির্যাতন করে দেশান্তরিত করা হলেও জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল অপ্রতুল। জাতিসংঘ অধিবেশনে এই বিষয়টিও বলিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করতে হবে।