ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

জুলাই সনদ নিয়ে জট, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আন্তরিক হলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধে সংকট তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন।

তবে সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি ঘিরে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট। জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনের আগে সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন চাইলেও বিএনপি ও অধিকাংশ দল নির্বাচন শেষে নতুন সংসদের মাধ্যমে কার্যকর করার পক্ষে। জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল নিষিদ্ধ, পিআর পদ্ধতি চালুসহ নানা দাবিতে রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এখনও কোনো সুস্পষ্ট সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, সংকট নিরসন না হলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে এবং দেশে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মত, নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরই হচ্ছে স্থিতিশীলতা ফেরানোর একমাত্র পথ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদ নিয়ে জট, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আন্তরিক হলেও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধে সংকট তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন।

তবে সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি ঘিরে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট। জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনের আগে সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন চাইলেও বিএনপি ও অধিকাংশ দল নির্বাচন শেষে নতুন সংসদের মাধ্যমে কার্যকর করার পক্ষে। জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল নিষিদ্ধ, পিআর পদ্ধতি চালুসহ নানা দাবিতে রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এখনও কোনো সুস্পষ্ট সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, সংকট নিরসন না হলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে এবং দেশে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মত, নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরই হচ্ছে স্থিতিশীলতা ফেরানোর একমাত্র পথ।