ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় তিনশ রোহিঙ্গা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য নাফ নদীর পূর্ব তীরের ফেরানফ্রু গ্রামে অপেক্ষা করছে অন্তত ৩০০ রোহিঙ্গা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (৩ আগস্ট) রাতেই তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা করেছে।

জানা গেছে, আজ মিয়ানমারের বুথিডং শহর থেকে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মোট ৪১ জন রোহিঙ্গা নাফ নদীর পূর্ব তীরে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তারা এই গ্রামের চারটি ঘরে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রায় দুই শতাধিক রোহিঙ্গা একই স্থানে জড়ো হয়।

অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য দুটি রুটও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমটি— ফেরানফ্রু হয়ে রোয়াইঙ্গাধং পথ ধরে জালিয়ার দ্বীপের উত্তরে বিপি–৮ হ্নীলা রোয়াইঙ্গা খালি পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ। এ ক্ষেত্রে আরাকান আর্মির মদদপুষ্ট স্থানীয় রোহিঙ্গা দালাল ও বাংলাদেশের স্থানীয় দালালরা সহযোগিতা করছে।

দ্বিতীয়টি— ফেরানফ্রু হয়ে জালিয়ার দ্বীপের দক্ষিণ দিকে বিপি–০৩ শাহপরীর দ্বীপ এলাকা দিয়ে প্রবেশের প্রস্তুতি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা দিচ্ছে না; বরং যারা বাংলাদেশে যেতে চায় তাদের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০ হাজার কিয়াত ট্যাক্স আদায় করছে। সাধারণত রাত ৮ থেকে ৯টার মধ্যে তারা নৌকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কাছাকাছি এসে নাফ নদীতে নোঙর ফেলে অপেক্ষা করে। পরে ভোরে পরিস্থিতি অনুকূল মনে হলে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং স্থানীয় বাঙালি দালালরা তাদেরকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

রাতেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় তিনশ রোহিঙ্গা

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রতীকী ছবি।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য নাফ নদীর পূর্ব তীরের ফেরানফ্রু গ্রামে অপেক্ষা করছে অন্তত ৩০০ রোহিঙ্গা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (৩ আগস্ট) রাতেই তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা করেছে।

জানা গেছে, আজ মিয়ানমারের বুথিডং শহর থেকে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মোট ৪১ জন রোহিঙ্গা নাফ নদীর পূর্ব তীরে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তারা এই গ্রামের চারটি ঘরে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রায় দুই শতাধিক রোহিঙ্গা একই স্থানে জড়ো হয়।

অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য দুটি রুটও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমটি— ফেরানফ্রু হয়ে রোয়াইঙ্গাধং পথ ধরে জালিয়ার দ্বীপের উত্তরে বিপি–৮ হ্নীলা রোয়াইঙ্গা খালি পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ। এ ক্ষেত্রে আরাকান আর্মির মদদপুষ্ট স্থানীয় রোহিঙ্গা দালাল ও বাংলাদেশের স্থানীয় দালালরা সহযোগিতা করছে।

দ্বিতীয়টি— ফেরানফ্রু হয়ে জালিয়ার দ্বীপের দক্ষিণ দিকে বিপি–০৩ শাহপরীর দ্বীপ এলাকা দিয়ে প্রবেশের প্রস্তুতি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা দিচ্ছে না; বরং যারা বাংলাদেশে যেতে চায় তাদের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০ হাজার কিয়াত ট্যাক্স আদায় করছে। সাধারণত রাত ৮ থেকে ৯টার মধ্যে তারা নৌকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কাছাকাছি এসে নাফ নদীতে নোঙর ফেলে অপেক্ষা করে। পরে ভোরে পরিস্থিতি অনুকূল মনে হলে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং স্থানীয় বাঙালি দালালরা তাদেরকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।