ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসি মাসুদসহ আহত বেশ কয়েকজন পুলিশ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

বামে আগত পুলিশ সদস্য ও ডানে ডিসি মাসুদ। ছবি: বার্তা২৪.কম

প্রকৌশলের শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফা দাবি আদায়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রায় বাঁধা দেয় পুলিশ। এসময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া, ইট নিক্ষেপ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও শিক্ষার্থী আহত হন।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও বেলা দেড়টা নাগাদ যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় দফায় দফায় টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জল কামান নিক্ষেপ করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং শাহবাগ মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন প্রধান সড়কে অবস্থান নেন।

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘শাহবাগ মোড়ে বুয়েটসহ অন্যান্য বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার যারা আছে তারা আসছিল। তারা গতকাল এবং তার আগের দিনও শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিল। শাহবাগের মতন একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তারা অবস্থান নিয়েছিল আমরা কিন্তু তারপরও তাদের কিছুই বলিনি।

তাদেরকে আমরা কখনও বলি নেই যে ভাই এখান থেকে উঠে যাও। যদিও মানুষের ব্যাপক দুর্ভোগ হচ্ছিল। আমরা তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য কয়েকবার রিকোয়েস্ট করেছিলাম। আজকে সকালে আমরা মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ করেছিলাম। তারা অনেক পজেটিভ ছিল। আপনারা জানেন ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারিও হয়ে গেছে যেটা তারা চাচ্ছিল। যখন তারা এদিকে চলে আসে তার আগে ওদের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের সাথে আমার কথা হচ্ছিল। তখন তারা যেটা বলছিল যে আমরা এখানে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা থাকবো।

যদি এর মধ্যে প্রঞ্জাপত জারি না হয় তাহলে আমরা সচিবালয় অভিমুখে চলে যাবো। এরপর হুট করে তারা যমুনার দিকে দৌড়ে চলে আসলো। আমরা পেছনে পেছনে দৌড়ে আসছি। তারা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এসে আমাদের ব্লকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে এগিয়ে গেছে। এরপর আমাদের কিছু ফোর্স সেখানে জড়ো হয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করে তাদেরকে আস্তে আস্তে পেছনের দিকে ঠেলে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কোন কাজ হয়নি। এরপর আমরা ওয়াটারগান (জলকামান) মেরে তাদেরকে হালকা ছত্রভঙ্গ করেছি। তারপর তারা আবার এখানে (শাহবাগ মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন) এসে অবস্থান নিয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

ডিসি মাসুদসহ আহত বেশ কয়েকজন পুলিশ

আপডেট সময় : ০৫:০০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

বামে আগত পুলিশ সদস্য ও ডানে ডিসি মাসুদ। ছবি: বার্তা২৪.কম

প্রকৌশলের শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফা দাবি আদায়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রায় বাঁধা দেয় পুলিশ। এসময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া, ইট নিক্ষেপ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও শিক্ষার্থী আহত হন।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও বেলা দেড়টা নাগাদ যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় দফায় দফায় টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জল কামান নিক্ষেপ করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং শাহবাগ মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন প্রধান সড়কে অবস্থান নেন।

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘শাহবাগ মোড়ে বুয়েটসহ অন্যান্য বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার যারা আছে তারা আসছিল। তারা গতকাল এবং তার আগের দিনও শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিল। শাহবাগের মতন একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তারা অবস্থান নিয়েছিল আমরা কিন্তু তারপরও তাদের কিছুই বলিনি।

তাদেরকে আমরা কখনও বলি নেই যে ভাই এখান থেকে উঠে যাও। যদিও মানুষের ব্যাপক দুর্ভোগ হচ্ছিল। আমরা তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য কয়েকবার রিকোয়েস্ট করেছিলাম। আজকে সকালে আমরা মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ করেছিলাম। তারা অনেক পজেটিভ ছিল। আপনারা জানেন ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারিও হয়ে গেছে যেটা তারা চাচ্ছিল। যখন তারা এদিকে চলে আসে তার আগে ওদের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের সাথে আমার কথা হচ্ছিল। তখন তারা যেটা বলছিল যে আমরা এখানে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা থাকবো।

যদি এর মধ্যে প্রঞ্জাপত জারি না হয় তাহলে আমরা সচিবালয় অভিমুখে চলে যাবো। এরপর হুট করে তারা যমুনার দিকে দৌড়ে চলে আসলো। আমরা পেছনে পেছনে দৌড়ে আসছি। তারা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এসে আমাদের ব্লকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে এগিয়ে গেছে। এরপর আমাদের কিছু ফোর্স সেখানে জড়ো হয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করে তাদেরকে আস্তে আস্তে পেছনের দিকে ঠেলে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কোন কাজ হয়নি। এরপর আমরা ওয়াটারগান (জলকামান) মেরে তাদেরকে হালকা ছত্রভঙ্গ করেছি। তারপর তারা আবার এখানে (শাহবাগ মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন) এসে অবস্থান নিয়েছে।’