ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নোয়াখালীতে এম্বুলেন্স চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

নোয়াখালী পৌর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে  জামাল হোসেন (৩২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হৃদয়কে (১৮) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

 

শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আনার পর অভিযোগটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হবে বলে জানিয়েছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি।

 

নিহত জামাল উদ্দিন নোয়াখালী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড মধুসূদন পুর এলাকার ফরিদ হাজী বাড়ির রফিক উল্ল্যার ছেলে। দুই ছেলের জনক জামাল উদ্দিন পেশায় একজন এম্বুলেন্স চালক ছিলেন।

 

নিহতের বাবা রফিক উল্ল্যা জানান, প্রায় ৩মাস আগে শহরের হসপিটাল সড়কে ছিনতাই করার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয় মধুসূদন পুর এলাকার রায়হানের ছেলে হৃদয়। এসময় লোকজন তাকে গণপিটুনি দিলে বাড়ির পাশের লোক হওয়ায় জামাল’সহ কয়েকজন নিজেদের জিম্মায় নিয়ে হৃদয়কে উদ্ধার করে। লোকজনের সামনে হৃদয়কে শাসন করে চড়থাপ্পড় দিয়ে ছাড়িয়ে নেয় জামাল।

 

তিনি আরও বলেন, চড়থাপ্পড়ের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয় হৃদয়। এ ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এম্বুলেন্স বন্ধকরে রেখে পায়ে হেঁটে বাড়িতে আসছিলো জামাল। পথে ট্রাস্ট ওয়ান হসপিটালের ভিতরে গলিতে ঢুকলে অন্ধকার থেকে এসে প্রথমে জামালের পিঠে ও পরে পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে জখম করে হৃদয়। পরে আশপাশের লোকজন জামালকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ওই হাসপাতালে মারা যায় জামাল।

 

সুধারাম মডেল থানার ওসি জানান, জামালের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন শুক্রবার রাত দশটার দিকে হাসপাতাল সড়ক থেকে হৃদয়কে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জামাল হত্যার ঘটনায় একমাত্র আসামি হিসেবে হৃদয়কে অভিযুক্ত করে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নোয়াখালীতে এম্বুলেন্স চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

নোয়াখালী পৌর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে  জামাল হোসেন (৩২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হৃদয়কে (১৮) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

 

শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আনার পর অভিযোগটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হবে বলে জানিয়েছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি।

 

নিহত জামাল উদ্দিন নোয়াখালী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড মধুসূদন পুর এলাকার ফরিদ হাজী বাড়ির রফিক উল্ল্যার ছেলে। দুই ছেলের জনক জামাল উদ্দিন পেশায় একজন এম্বুলেন্স চালক ছিলেন।

 

নিহতের বাবা রফিক উল্ল্যা জানান, প্রায় ৩মাস আগে শহরের হসপিটাল সড়কে ছিনতাই করার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয় মধুসূদন পুর এলাকার রায়হানের ছেলে হৃদয়। এসময় লোকজন তাকে গণপিটুনি দিলে বাড়ির পাশের লোক হওয়ায় জামাল’সহ কয়েকজন নিজেদের জিম্মায় নিয়ে হৃদয়কে উদ্ধার করে। লোকজনের সামনে হৃদয়কে শাসন করে চড়থাপ্পড় দিয়ে ছাড়িয়ে নেয় জামাল।

 

তিনি আরও বলেন, চড়থাপ্পড়ের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয় হৃদয়। এ ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এম্বুলেন্স বন্ধকরে রেখে পায়ে হেঁটে বাড়িতে আসছিলো জামাল। পথে ট্রাস্ট ওয়ান হসপিটালের ভিতরে গলিতে ঢুকলে অন্ধকার থেকে এসে প্রথমে জামালের পিঠে ও পরে পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে জখম করে হৃদয়। পরে আশপাশের লোকজন জামালকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ওই হাসপাতালে মারা যায় জামাল।

 

সুধারাম মডেল থানার ওসি জানান, জামালের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন শুক্রবার রাত দশটার দিকে হাসপাতাল সড়ক থেকে হৃদয়কে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জামাল হত্যার ঘটনায় একমাত্র আসামি হিসেবে হৃদয়কে অভিযুক্ত করে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।