ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

আকস্মিক বন্যা শেরপুর, ২জনের মৃত্যু

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

টানা বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসঙ্গে মহারশি, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর বাঁধের অন্তত সাত স্থান ভেঙে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর ও নালিতাবাড়ী পৌর এলাকাসহ শ্রীবরদীর শতাধিক গ্রাম ডুবে গেছে।

আকস্মিক এ বন্যায় এখনো পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও তিনজন।

নিখোঁজ ও মৃত্যুর বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ওসি মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, নালিতাবাড়ী উপজেলায় শুক্রবার বিকালে বন্যার পানিতে ডুবে খালিসাকুড়া গ্রামে ইদ্রিস আলী নামে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ এবং শুক্রবার রাতে বাঘবের গ্রামের গ্রামের আম্বিয়া খাতুন (৪৫) মারা গেছেন।

তিনি বলেন, এছাড়া নালিতাবাড়ী উপজেলার নামা বাতকুচি গ্রামের মহুয়া খাতুন, উভয়নগর গ্রামের দুভাই হাতেম আলী ও আলমগীর শুক্রবার রাতে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন।

জানা যায়, আকস্মিক এ বন্যায় ওই তিন উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অনেক স্থানে পাহাড়ি ঢলের পানির প্রবল তোড়ে ভেঙে গেছে অনেক ঘরবাড়ি, গাছপালা। তলিয়ে গেছে ফসলের খেত, ভেসে গেছে মাছের পুকুর ও ঘের। অনেক বাড়িতে রান্না-খাওয়া বন্ধ রয়েছে। তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে স্থানীয় পাহাড়ি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। সেইসঙ্গে যোগ হয় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় নদীর পানি ও বন্যাকবলিত এলাকার পানি কমতে শুরু করেছে। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারের জন্য ঢাকা ও ময়মনসিংহ থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবী এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছে। বন্যার্তদের সহায়তার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার বিতরণের কাজ চলছে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকস্মিক বন্যা শেরপুর, ২জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

টানা বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসঙ্গে মহারশি, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর বাঁধের অন্তত সাত স্থান ভেঙে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর ও নালিতাবাড়ী পৌর এলাকাসহ শ্রীবরদীর শতাধিক গ্রাম ডুবে গেছে।

আকস্মিক এ বন্যায় এখনো পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও তিনজন।

নিখোঁজ ও মৃত্যুর বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ওসি মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, নালিতাবাড়ী উপজেলায় শুক্রবার বিকালে বন্যার পানিতে ডুবে খালিসাকুড়া গ্রামে ইদ্রিস আলী নামে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ এবং শুক্রবার রাতে বাঘবের গ্রামের গ্রামের আম্বিয়া খাতুন (৪৫) মারা গেছেন।

তিনি বলেন, এছাড়া নালিতাবাড়ী উপজেলার নামা বাতকুচি গ্রামের মহুয়া খাতুন, উভয়নগর গ্রামের দুভাই হাতেম আলী ও আলমগীর শুক্রবার রাতে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন।

জানা যায়, আকস্মিক এ বন্যায় ওই তিন উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অনেক স্থানে পাহাড়ি ঢলের পানির প্রবল তোড়ে ভেঙে গেছে অনেক ঘরবাড়ি, গাছপালা। তলিয়ে গেছে ফসলের খেত, ভেসে গেছে মাছের পুকুর ও ঘের। অনেক বাড়িতে রান্না-খাওয়া বন্ধ রয়েছে। তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে স্থানীয় পাহাড়ি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। সেইসঙ্গে যোগ হয় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় নদীর পানি ও বন্যাকবলিত এলাকার পানি কমতে শুরু করেছে। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারের জন্য ঢাকা ও ময়মনসিংহ থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবী এবং উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছে। বন্যার্তদের সহায়তার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার বিতরণের কাজ চলছে।