ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি গাছ কেটে নিলেন উপজেলা সমন্বয়কের বাবা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অনুমতি ছাড়া জেলা পরিষদের একটি শতবর্ষী গাছের ৯৫ ভাগ কেটে ফেলেছেন উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক জুবায়ের আল ইয়াছিনের বাবা সামছুল আলম।

উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় শহিদ মিনারের পাশে সামছুল আলমের বাসভবনের সামনের এ গাছটি ৩০ হাজার টাকায় কেটে দেওয়ার চুক্তি নেন গাছিরা। ২৮ সেপ্টেম্বর গাছটির ৯৫ ভাগ কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে সামছুল আলম বলেন, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ। রায়পুরের ইউএনওর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাছটি কাটা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উনার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

রায়পুরের ইউএনও ইমরান খান জানান, বৈদ্যুতিক তারের জন্য গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কয়েকটি ডাল কাটার অনুমতি দিয়েছি। সম্প‍ূর্ণ গাছ কাটার কোনো অনুমতি নেই।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, এ বিষয়ে অবগত নই। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

সরকারি গাছ কেটে নিলেন উপজেলা সমন্বয়কের বাবা

আপডেট সময় : ০৪:২৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অনুমতি ছাড়া জেলা পরিষদের একটি শতবর্ষী গাছের ৯৫ ভাগ কেটে ফেলেছেন উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক জুবায়ের আল ইয়াছিনের বাবা সামছুল আলম।

উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় শহিদ মিনারের পাশে সামছুল আলমের বাসভবনের সামনের এ গাছটি ৩০ হাজার টাকায় কেটে দেওয়ার চুক্তি নেন গাছিরা। ২৮ সেপ্টেম্বর গাছটির ৯৫ ভাগ কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে সামছুল আলম বলেন, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ। রায়পুরের ইউএনওর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাছটি কাটা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উনার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

রায়পুরের ইউএনও ইমরান খান জানান, বৈদ্যুতিক তারের জন্য গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কয়েকটি ডাল কাটার অনুমতি দিয়েছি। সম্প‍ূর্ণ গাছ কাটার কোনো অনুমতি নেই।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, এ বিষয়ে অবগত নই। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।