ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীতিমালা সংশোধনে সিইসিকে সাংবাদিকদের স্মারকলিপি

২০২৫ সালের নির্বাচন কমিশনের প্রণীত সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা, তথ্য অধিকার এবং গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী আখ্যায়িত করেছে সাংবাদিক সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।

সংগঠনটির নেতারা অবিলম্বে স্থগিত ও সংশোধনের দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এসময় ১৫ দিনের মধ্যে এই নীতিমালা সংশোধনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় সাংবাদিকরা আগামী সংসদ নির্বাচন কাভারেজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সিইসিকে স্মারকলিপি দেন আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতারা।

এর আগে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় আরএফইডি-এর নির্বাহী কমিটি, সাধারণ সদস্য এবং নির্বাচন কমিশনে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা সর্বসম্মতভাবে সিইসিকে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, এই নীতিমালার ফলে সাংবাদিকদের নির্বাচনি পর্যবেক্ষণে অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে। আরএফইডি-এর পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে মূলত চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো— নীতিমালার প্রণয়নে গণমাধ্যম পেশাজীবীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি; ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক প্রবেশের সময় ও সংখ্যা সীমাবদ্ধতাসহ বাস্তববিচ্যুত শর্ত আরোপ করা হয়েছে; সাক্ষাৎকার ও সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে; এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা উপেক্ষা করে একতরফাভাবে শাস্তিমূলক ধারা রাখা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় আরএফইডির সভাপতি ও যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি কাজী জেবেল বলেন, এই নীতিমালা স্থগিতের জন্য নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া ১৫ দিনের মধ্যে এই নীতিমালা সংশোধনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় সাংবাদিকরা আগামী সংসদ নির্বাচনের কাভারেজ করবে না।

মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া করা সিনিয়র সাংবাদিকরা বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি বাস্তবমুখী, স্বাধীন ও সাংবাদিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে সংগঠন পরবর্তী কর্মসূচি নেবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

নীতিমালা সংশোধনে সিইসিকে সাংবাদিকদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৮:১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

২০২৫ সালের নির্বাচন কমিশনের প্রণীত সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা, তথ্য অধিকার এবং গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী আখ্যায়িত করেছে সাংবাদিক সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।

সংগঠনটির নেতারা অবিলম্বে স্থগিত ও সংশোধনের দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনকে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এসময় ১৫ দিনের মধ্যে এই নীতিমালা সংশোধনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় সাংবাদিকরা আগামী সংসদ নির্বাচন কাভারেজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সিইসিকে স্মারকলিপি দেন আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতারা।

এর আগে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় আরএফইডি-এর নির্বাহী কমিটি, সাধারণ সদস্য এবং নির্বাচন কমিশনে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা সর্বসম্মতভাবে সিইসিকে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, এই নীতিমালার ফলে সাংবাদিকদের নির্বাচনি পর্যবেক্ষণে অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে। আরএফইডি-এর পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে মূলত চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো— নীতিমালার প্রণয়নে গণমাধ্যম পেশাজীবীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি; ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক প্রবেশের সময় ও সংখ্যা সীমাবদ্ধতাসহ বাস্তববিচ্যুত শর্ত আরোপ করা হয়েছে; সাক্ষাৎকার ও সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে; এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা উপেক্ষা করে একতরফাভাবে শাস্তিমূলক ধারা রাখা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় আরএফইডির সভাপতি ও যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি কাজী জেবেল বলেন, এই নীতিমালা স্থগিতের জন্য নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া ১৫ দিনের মধ্যে এই নীতিমালা সংশোধনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় সাংবাদিকরা আগামী সংসদ নির্বাচনের কাভারেজ করবে না।

মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া করা সিনিয়র সাংবাদিকরা বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি বাস্তবমুখী, স্বাধীন ও সাংবাদিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে সংগঠন পরবর্তী কর্মসূচি নেবে।