দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, দগ্ধ ও আহত ৫৭ জন এখনো চিকিৎসাধীন।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার তিন দিন পরও তিনজন ছাত্রী ও দুইজন অভিভাবকের সন্ধান মেলেনি।
ওই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক খাদিজা আক্তার বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে আসা তথ্যমতে এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের তিনজন শিক্ষার্থী এবং দুইজন অভিভাবক। এ তথ্য পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে আসা তথ্যের ভিত্তিতে।
“আমরা দুপুর নাগাদ সংবাদ সম্মেলন করে বা মিডিয়া উইংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানাব।”
আগামী রোববার থেকে প্রতিষ্ঠানটির নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল।
সোমবার দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়।
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু।
দগ্ধ ও আহত ৫৭ জন এখনো জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট, সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদের আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহতদের মধ্যে এখনো ছয়জনের পোড়া লাশ শনাক্ত করা যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করার জন্য নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
চেতনায়২৪ ডেস্ক : 


































