ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দী দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটিতে বস্তাবন্দী অবস্থায় মো. মামুন (৩৫) নামে এক পোলট্রি ব্যবসায়ীর দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার জেলার কলমপতি ইউনিয়নের নাইলেছড়ির মাঝেরপাড়া থেকে এই লাশ উদ্ধার হয়। নিহত মামুন জেলার কাউখালী উপজেলার সুগারমিল আদর্শগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ব্যবসার দ্বন্দ্বে মামুনকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর তাঁকে দ্বিখণ্ডিত করে ঝোপের মধ্যে পুঁতে রাখেন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী মো. কামরুল ইসলাম (৩০) ও তাঁর স্ত্রী সাথী আক্তার। সোমবার রাতে প্রথমে মো. কামরুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে স্ত্রী সাথী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির স্বজন ও পুলিশ সূত্র জানায়, ৭ জুলাই কাউখালী উপজেলার সুগারমিল আদর্শগ্রাম থেকে মামুন অপহৃত হয়েছিলেন। ওই দিনই মামুনকে হত্যা করা হয়। পরদিন মামুনের লাশ দ্বিখণ্ডিত করে বস্তায় ভরে কাউখালী উপজেলার মাঝেরপাড়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মাটিতে পুঁতে রেখে পালিয়ে যান মো. কামরুল ও স্ত্রী সাথী আক্তার। মামুন নিখোঁজ থাকায় ৮ জুলাই থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর স্ত্রী সীমা আক্তার।

কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাতে অভিযুক্ত কামরুল ইসলামকে লক্ষ্মীপুর সদর থেকে আটক করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে মামুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দিন রাতে মামুনকে অজ্ঞান করার ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। এরপর তাঁকে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘাতক কামরুলকে আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড চাওয়া হবে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যাঁরা জড়িত আছে সবাইকে খুঁজে বের করা হবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

রাঙামাটিতে ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দী দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

রাঙামাটিতে বস্তাবন্দী অবস্থায় মো. মামুন (৩৫) নামে এক পোলট্রি ব্যবসায়ীর দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার জেলার কলমপতি ইউনিয়নের নাইলেছড়ির মাঝেরপাড়া থেকে এই লাশ উদ্ধার হয়। নিহত মামুন জেলার কাউখালী উপজেলার সুগারমিল আদর্শগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ব্যবসার দ্বন্দ্বে মামুনকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর তাঁকে দ্বিখণ্ডিত করে ঝোপের মধ্যে পুঁতে রাখেন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী মো. কামরুল ইসলাম (৩০) ও তাঁর স্ত্রী সাথী আক্তার। সোমবার রাতে প্রথমে মো. কামরুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে স্ত্রী সাথী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির স্বজন ও পুলিশ সূত্র জানায়, ৭ জুলাই কাউখালী উপজেলার সুগারমিল আদর্শগ্রাম থেকে মামুন অপহৃত হয়েছিলেন। ওই দিনই মামুনকে হত্যা করা হয়। পরদিন মামুনের লাশ দ্বিখণ্ডিত করে বস্তায় ভরে কাউখালী উপজেলার মাঝেরপাড়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মাটিতে পুঁতে রেখে পালিয়ে যান মো. কামরুল ও স্ত্রী সাথী আক্তার। মামুন নিখোঁজ থাকায় ৮ জুলাই থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর স্ত্রী সীমা আক্তার।

কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাতে অভিযুক্ত কামরুল ইসলামকে লক্ষ্মীপুর সদর থেকে আটক করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে মামুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দিন রাতে মামুনকে অজ্ঞান করার ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। এরপর তাঁকে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘাতক কামরুলকে আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড চাওয়া হবে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যাঁরা জড়িত আছে সবাইকে খুঁজে বের করা হবে।’