ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাদের নেতৃত্বে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পাঁয়তারা আ.লীগের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।  দীর্ঘ দেড় দশক ধরে স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ চালানো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। ফলে এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া ৭৬ বছর বয়সি সবচেয়ে পুরোনো এ দলটি।  দলটির প্রধাননেতা শেখ হাসিনাসহ বেশিরভাগ নেতার অবস্থান এখন ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। এই অবস্থায় দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে। যেখানে দেশের ভেতরেই নেতৃত্ব খুঁজে নিয়ে তার হাত ধরে এই সংকট কাটানোর চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। খবর বিবিসি বাংলার।

ভারত এবং পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেছেন, তাদের শীর্ষ নেতা শেখ হাসিনাসহ তারা এখন মনে করছেন, দেশের ভেতরে দলের মুখপাত্র বা নেতা প্রয়োজন, যিনি আত্মগোপনে না থেকে প্রকাশ্যে এসে বিপর্যস্ত নেতাকর্মীদের সংগঠিত করবেন।

তাদের এমন চিন্তায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর নাম রয়েছে।

কিন্তু গ্রেফতার, মামলার ভয়ে এবং প্রতিকুল পরিস্থিতিতে তাদের কেউ এখনও সাহস করে এগিয়ে আসেননি। সেভাবে বিতর্কিত নন, দলটির এমন অন্য কোনো নেতা এগিয়ে আসবেন, সে ধরনের ইঙ্গিতও নেই।

যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপে রয়েছেন, এমন একাধিক নেতার বক্তব্য হচ্ছে, তাদের দল ঢাকায় মুখপাত্র বা কোনো পদ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নেতার নাম ঘোষণা করতে চাইছে না। কারণ কারও নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেই তাকে মামলা, গ্রেফতারের মুখে পড়তে হতে পারে। এটি তাদের বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করছেন, ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার বাড়ানো হয়েছে।

সেজন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাদের দলের সভাপতি শেখ হাসিনাও সম্প্রতি বলেছেন, দেশের ভেতরে যারা সাহস নিয়ে এগিয়ে এসে দলকে সংগঠিত করার কাজে নেতৃত্ব দেবেন, তারাই নেতা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের মামলায় নিজেই লড়তে চান শামসুল হক টুকু

যাদের নেতৃত্বে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পাঁয়তারা আ.লীগের

আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।  দীর্ঘ দেড় দশক ধরে স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ চালানো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। ফলে এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া ৭৬ বছর বয়সি সবচেয়ে পুরোনো এ দলটি।  দলটির প্রধাননেতা শেখ হাসিনাসহ বেশিরভাগ নেতার অবস্থান এখন ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। এই অবস্থায় দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে। যেখানে দেশের ভেতরেই নেতৃত্ব খুঁজে নিয়ে তার হাত ধরে এই সংকট কাটানোর চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। খবর বিবিসি বাংলার।

ভারত এবং পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেছেন, তাদের শীর্ষ নেতা শেখ হাসিনাসহ তারা এখন মনে করছেন, দেশের ভেতরে দলের মুখপাত্র বা নেতা প্রয়োজন, যিনি আত্মগোপনে না থেকে প্রকাশ্যে এসে বিপর্যস্ত নেতাকর্মীদের সংগঠিত করবেন।

তাদের এমন চিন্তায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর নাম রয়েছে।

কিন্তু গ্রেফতার, মামলার ভয়ে এবং প্রতিকুল পরিস্থিতিতে তাদের কেউ এখনও সাহস করে এগিয়ে আসেননি। সেভাবে বিতর্কিত নন, দলটির এমন অন্য কোনো নেতা এগিয়ে আসবেন, সে ধরনের ইঙ্গিতও নেই।

যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপে রয়েছেন, এমন একাধিক নেতার বক্তব্য হচ্ছে, তাদের দল ঢাকায় মুখপাত্র বা কোনো পদ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নেতার নাম ঘোষণা করতে চাইছে না। কারণ কারও নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেই তাকে মামলা, গ্রেফতারের মুখে পড়তে হতে পারে। এটি তাদের বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করছেন, ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার বাড়ানো হয়েছে।

সেজন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাদের দলের সভাপতি শেখ হাসিনাও সম্প্রতি বলেছেন, দেশের ভেতরে যারা সাহস নিয়ে এগিয়ে এসে দলকে সংগঠিত করার কাজে নেতৃত্ব দেবেন, তারাই নেতা।