ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ওসামা তাবাশ।

সম্প্রতি বিবৃতিতে এমনটাই দাবি করেছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। খবর রয়টার্সের।

আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মার্চ দক্ষিণ গাজায় আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছিল। হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করে ইসরাইল। তাতেই তাবাশের মৃত্যু হয়েছে। হামাসের একাধিক সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। বহু হামলার মূলহোতা বলেও তাকে উল্লেখ করেছে আইডিএফ।

ইসরাইলের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাবাশ হামাসের নজরদারি এবং নিশানা (টার্গেটিং) ইউনিটেরও প্রধান ছিলেন। খান ইউনিস ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। স্থলভাগে হামাসের যুদ্ধকৌশল ঠিক করতেন। মূলত দক্ষিণ গাজাতেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। তার মৃত্যুকে বড়সড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে আইডিএফ। ইসরাইলের এই দাবি সম্বন্ধে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটি।

আইডিএফের বিবৃতিতে দাবি, ২০০৫ সালে গাজা উপত্যকার গাশ কাটিফ জংশনে আত্মঘাতী বোমা হামলার মূলহোতা ছিলেন তাবাশ। এছাড়াও বহু হামলা হয়েছে তার ষড়যন্ত্রে। ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে হামাসের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে চলছিলেন তিনি। গোয়েন্দা বিভাগেও তাবাশের দক্ষতা ছিল। মূলত, তার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েই কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইডিএফের হামলা প্রতিহত করতে সফল হয়েছিল হামাস, দাবি ইসরাইলের।

তাদের মতে, তাবাশের মৃত্যুর ফলে আগামী দিনে হামাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আরও সহজ হতে চলেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ওসামা তাবাশ।

সম্প্রতি বিবৃতিতে এমনটাই দাবি করেছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। খবর রয়টার্সের।

আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মার্চ দক্ষিণ গাজায় আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছিল। হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করে ইসরাইল। তাতেই তাবাশের মৃত্যু হয়েছে। হামাসের একাধিক সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। বহু হামলার মূলহোতা বলেও তাকে উল্লেখ করেছে আইডিএফ।

ইসরাইলের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাবাশ হামাসের নজরদারি এবং নিশানা (টার্গেটিং) ইউনিটেরও প্রধান ছিলেন। খান ইউনিস ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। স্থলভাগে হামাসের যুদ্ধকৌশল ঠিক করতেন। মূলত দক্ষিণ গাজাতেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। তার মৃত্যুকে বড়সড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে আইডিএফ। ইসরাইলের এই দাবি সম্বন্ধে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটি।

আইডিএফের বিবৃতিতে দাবি, ২০০৫ সালে গাজা উপত্যকার গাশ কাটিফ জংশনে আত্মঘাতী বোমা হামলার মূলহোতা ছিলেন তাবাশ। এছাড়াও বহু হামলা হয়েছে তার ষড়যন্ত্রে। ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে হামাসের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে চলছিলেন তিনি। গোয়েন্দা বিভাগেও তাবাশের দক্ষতা ছিল। মূলত, তার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েই কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইডিএফের হামলা প্রতিহত করতে সফল হয়েছিল হামাস, দাবি ইসরাইলের।

তাদের মতে, তাবাশের মৃত্যুর ফলে আগামী দিনে হামাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আরও সহজ হতে চলেছে।