ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে হত্যার ৫ বছর পর জড়িতদের বিচারের দাবি

  • মোঃ নিজাম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৬৭৭ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে মো. মোরশেদ আলম নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় বিচার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয় লোকজন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভবানীগঞ্জের চৌরাস্তা বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত হয়।
ভিকটিম মোরশেদ সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের মৃত সফি উল্যার ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই। পেশায় সে ভূষা মালের ব্যবসায়ী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভবানীগঞ্জ কলেজের পাশের স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিনা মেম্বারের বসতবাড়ি থেকে মোরশেদ আলমের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই নারী ইউপি সদস্যকে আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে মোরশেদের মা ফুলবানু। ২০২১ সালের অক্টোবরে মামলায় রায়ে আসামিরা খালাস পায়। এ নিয়ে ক্ষোভ এবং হতাশায় ছিল মোরশেদের পরিবার।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আসামিরা প্রভাব বিস্তার করে হত্যা মামলা থেকে রেহাই পেয়েছে। মোরশেদকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলেও পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট মনগড়াভাবে করানো হয়েছে। রিপোর্টে তার স্বাভাবিক মৃত্যু দেখানো হয়েছে। কিন্তু মৃতদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তারা দাবি করেন, পুনরায় হত্যার মামলাটি তদন্ত করে এবং পুনরায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
মোরশেদের ভাই সাবেক ইউপি সদস্য ও ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার ভাইয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে স্থানীয় একটি চক্র হত্যা করেছে। যারা স্বৈরাচার সরকারের লোকজন ছিল। এ কারণে আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার পাইনি। আমরা আবারও এ ঘটনা নিয়ে আইনের আশ্রয় নেব৷
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর সদর থানা (পূর্ব) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ্ মো. এমরান, জেলা যুবদলের সদস্য ও চৌরাস্তা ক্লাবের সভাপতি এসএম আজাদ, সদর থানা (পূর্ব) ছাত্রদলের সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন ভূঁইয়া, নিহত মোরশেদের বড় ভাই সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ও জেলা কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবু।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় সঞ্চলনা করেন সাবেক জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও চৌরাস্তা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আদনান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন ভূঁইয়া, তোফায়েল আহমেদ সবুজ, বাচ্চু মেম্বার, মাসুম হোসেন নূর, সাবেক ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আসাদুজ্জামান রাজুসহ ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে হত্যার ৫ বছর পর জড়িতদের বিচারের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে মো. মোরশেদ আলম নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় বিচার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয় লোকজন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভবানীগঞ্জের চৌরাস্তা বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত হয়।
ভিকটিম মোরশেদ সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের মৃত সফি উল্যার ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই। পেশায় সে ভূষা মালের ব্যবসায়ী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভবানীগঞ্জ কলেজের পাশের স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিনা মেম্বারের বসতবাড়ি থেকে মোরশেদ আলমের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই নারী ইউপি সদস্যকে আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে মোরশেদের মা ফুলবানু। ২০২১ সালের অক্টোবরে মামলায় রায়ে আসামিরা খালাস পায়। এ নিয়ে ক্ষোভ এবং হতাশায় ছিল মোরশেদের পরিবার।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আসামিরা প্রভাব বিস্তার করে হত্যা মামলা থেকে রেহাই পেয়েছে। মোরশেদকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলেও পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট মনগড়াভাবে করানো হয়েছে। রিপোর্টে তার স্বাভাবিক মৃত্যু দেখানো হয়েছে। কিন্তু মৃতদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তারা দাবি করেন, পুনরায় হত্যার মামলাটি তদন্ত করে এবং পুনরায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
মোরশেদের ভাই সাবেক ইউপি সদস্য ও ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার ভাইয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে স্থানীয় একটি চক্র হত্যা করেছে। যারা স্বৈরাচার সরকারের লোকজন ছিল। এ কারণে আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার পাইনি। আমরা আবারও এ ঘটনা নিয়ে আইনের আশ্রয় নেব৷
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর সদর থানা (পূর্ব) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ্ মো. এমরান, জেলা যুবদলের সদস্য ও চৌরাস্তা ক্লাবের সভাপতি এসএম আজাদ, সদর থানা (পূর্ব) ছাত্রদলের সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন ভূঁইয়া, নিহত মোরশেদের বড় ভাই সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ও জেলা কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবু।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় সঞ্চলনা করেন সাবেক জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও চৌরাস্তা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আদনান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন ভূঁইয়া, তোফায়েল আহমেদ সবুজ, বাচ্চু মেম্বার, মাসুম হোসেন নূর, সাবেক ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আসাদুজ্জামান রাজুসহ ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।