ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বান্দরবানে শিশু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৪ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বান্দরবানে এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষনের দায়ে ৪ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একিসঙ্গে প্রত্যেক আসামীকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৬ মাস সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। রোববার (৯ মার্চ) দুপুরে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা আদালত এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. কায়ছার (২২), মো. রাশেদ (২৩), ওমর ফারুক (১৮), মো. হানিফ (২৪)। এরা সকলেই চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জঙ্গল পদুয়া এলাকার বাসিন্দা। তবে মো. কায়ছার ছাড়া অপর তিন আসামী পলাতক রয়েছে।

আইনশৃংখলা বাহিনী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. রাশেদের সঙ্গে ভুল নাম্বারে পরিচয় হয় ধর্ষিতা কিশোরীর। পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০২১ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি রাতে মো.রাশেদ ফোনে কিশোরীটিকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে পদুয়া এলাকায় যেতে বলেন। প্রেমিক রাশেদের কথা বিশ্বাস করে পরদিন কিশোরী চট্টগ্রামের আমিরাবাদ এলাকায় পৌছালে প্রেমিক রাশেদ ফোনে কিশোরীকে বলেন তার একটু দেরি হবে এবং তার বন্ধু ওমর ফারুকের সাথে যেন পদুয়ায় চলে আসে। পরে পদুয়া পৌঁছালে সেখান থেকে কাজীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে পাহাড়ের জঙ্গল পথে বান্দরবানের ভাগ্যকুল এলাকায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসামীরা। পরে কিশোরীটির আত্মনাদ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় কিশোরী বাদি হয়ে বান্দরবান সদর থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আদালত আসামীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের এই রায় প্রদান করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত অভিযুক্ত ৪ আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। পুলিশি হেফাজতে থাকা মো. কায়ছারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর পলাতক তিন আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বান্দরবানে শিশু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৪ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

বান্দরবানে এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষনের দায়ে ৪ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একিসঙ্গে প্রত্যেক আসামীকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৬ মাস সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। রোববার (৯ মার্চ) দুপুরে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা আদালত এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. কায়ছার (২২), মো. রাশেদ (২৩), ওমর ফারুক (১৮), মো. হানিফ (২৪)। এরা সকলেই চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জঙ্গল পদুয়া এলাকার বাসিন্দা। তবে মো. কায়ছার ছাড়া অপর তিন আসামী পলাতক রয়েছে।

আইনশৃংখলা বাহিনী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. রাশেদের সঙ্গে ভুল নাম্বারে পরিচয় হয় ধর্ষিতা কিশোরীর। পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০২১ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি রাতে মো.রাশেদ ফোনে কিশোরীটিকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে পদুয়া এলাকায় যেতে বলেন। প্রেমিক রাশেদের কথা বিশ্বাস করে পরদিন কিশোরী চট্টগ্রামের আমিরাবাদ এলাকায় পৌছালে প্রেমিক রাশেদ ফোনে কিশোরীকে বলেন তার একটু দেরি হবে এবং তার বন্ধু ওমর ফারুকের সাথে যেন পদুয়ায় চলে আসে। পরে পদুয়া পৌঁছালে সেখান থেকে কাজীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে পাহাড়ের জঙ্গল পথে বান্দরবানের ভাগ্যকুল এলাকায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসামীরা। পরে কিশোরীটির আত্মনাদ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় কিশোরী বাদি হয়ে বান্দরবান সদর থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আদালত আসামীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের এই রায় প্রদান করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত অভিযুক্ত ৪ আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। পুলিশি হেফাজতে থাকা মো. কায়ছারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর পলাতক তিন আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।