ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ অবস্থান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে আহতরা। তাদের দাবি, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তা।

আজ বুধবার দুপুরে মিছিল নিয়ে তারা রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে এসে সড়কে বসে পড়েন। সেখানে বসে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ ও কার্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএনসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।

প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকারীরা জানিয়েছেন, আহতদের ক্যাটাগরি বিন্যাসে যে বৈষম্য করা হয়েছে সেটি সংশোধন করতে হবে। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে।

এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চলিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন।

এর আগেও বিভিন্ন সময় আন্দোলনে আহতরা স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানীর শ্যামলী, শাহবাগ, উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অবরোধ করেছিলেন।

সম্প্রতি জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারি ঘোষণার আওতায়, শহীদদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করা হবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ‘জুলাই শহীদ’ পরিবারের জন্য এককালীন ৩০ লাখ টাকা ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে।

এদিকে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে—

ক্যাটাগরি ‘এ’

অতি গুরুতর আহত, যাদের আজীবন সাহায্যের আওতায় নিয়ে আসতে হবে (ন্যূন্যতম এক চোখ/হাত/পা ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের অনুপযোগী, সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন, সম্পূর্ণভাবে মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং কাজ করতে অক্ষম বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি)।

ক্যাটাগরি ‘বি’

গুরুতর আহত, যাদের দীর্ঘদিন সাহায্য দিতে হবে (আংশিক দৃষ্টিহীন, মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি)।

ক্যাটাগরি ‘সি’

আহত যারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম হবেন (শ্রবণশক্তি/দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত, গুলিতে আহত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি। আহত যারা ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম)।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ অবস্থান

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে আহতরা। তাদের দাবি, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তা।

আজ বুধবার দুপুরে মিছিল নিয়ে তারা রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে এসে সড়কে বসে পড়েন। সেখানে বসে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ ও কার্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএনসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।

প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকারীরা জানিয়েছেন, আহতদের ক্যাটাগরি বিন্যাসে যে বৈষম্য করা হয়েছে সেটি সংশোধন করতে হবে। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে।

এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চলিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন।

এর আগেও বিভিন্ন সময় আন্দোলনে আহতরা স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানীর শ্যামলী, শাহবাগ, উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অবরোধ করেছিলেন।

সম্প্রতি জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারি ঘোষণার আওতায়, শহীদদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করা হবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ‘জুলাই শহীদ’ পরিবারের জন্য এককালীন ৩০ লাখ টাকা ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে।

এদিকে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে—

ক্যাটাগরি ‘এ’

অতি গুরুতর আহত, যাদের আজীবন সাহায্যের আওতায় নিয়ে আসতে হবে (ন্যূন্যতম এক চোখ/হাত/পা ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের অনুপযোগী, সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন, সম্পূর্ণভাবে মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং কাজ করতে অক্ষম বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি)।

ক্যাটাগরি ‘বি’

গুরুতর আহত, যাদের দীর্ঘদিন সাহায্য দিতে হবে (আংশিক দৃষ্টিহীন, মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি)।

ক্যাটাগরি ‘সি’

আহত যারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম হবেন (শ্রবণশক্তি/দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত, গুলিতে আহত বা অনুরূপ আহত ব্যক্তি। আহত যারা ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সক্ষম)।