ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আ.লীগের সাবেক এমপির জামিন, কারাফটকে আটক

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

জামিনে মুক্তির পর কারাফটকে আটক হয়েছেন রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর কারাফটকে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা তাকে আটক করেন।

এর আগে বিকেল থেকেই সাবেক এমপি কালামের জামিনে মুক্তির খবর জানাজানি হয়। বিকেল থেকে কারাগারের বাইরে সড়কে অবস্থান নেন ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। বাইরে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।

রাত ৮টার দিকে কারাগারের ভেতরের প্রধান ফটক থেকে বের হন কালাম। পরে ডিবি পুলিশের সঙ্গে হেঁটে কারাগারের বাইরের প্রধান ফটকের কাছে আসেন। এ সময় ডিবি পুলিশের একটি জিপে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

আবুল কালাম আজাদ এ সময় উদ্বিগ্ন ও বিমর্ষ দেখাচ্ছিলেন। গাড়িতে তোলার সময় ছাত্রদল, যুবদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ডিবি পুলিশের এক সদস্য বলছিলেন, “এটা পুলিশের গাড়ি, পুলিশের গাড়ি।”

কালাম পুলিশের গাড়িতে উঠে যাওয়ার পর নেতাকর্মীরা গাড়িটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান, কিছু লোক ইটপাটকেলও ছোঁড়েন। এ সময় গাড়ির বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যরা নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিলে দ্রুত গাড়িটি ডিবি কার্যালয়ে চলে যায়।

রাজশাহী কারাগারের ডেপুটি জেলার ফৌজিয়া আক্তার জানান, বাগমারা থানার দুটি মামলায় কারাগারে বন্দী ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। হাইকোর্টে তিনি দুটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন। বুধবার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছালে তার মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে জানানো হয়েছিল।

এমপি হওয়ার আগে আবুল কালাম আজাদ বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। মেয়র থাকাকালে ঠিকাদারকে অতিরিক্ত ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬১ টাকা বিল পরিশোধ করার অভিযোগে গত ২১ জানুয়ারি কালামসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তবে এ মামলায় কালামকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি বলে জানান কারাগারের ওই ডেপুটি জেলার। তিনি জানান, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে বাগমারা থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় কারাগারে ছিলেন কালাম। এর বাইরে তার নামে অন্য কোনো মামলা আছে কিনা তা তাদের জানা নেই। অন্য কোনো মামলায় গ্রেফতার না থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফের ২৫ এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আশঙ্কা বায়রার একাংশের

আ.লীগের সাবেক এমপির জামিন, কারাফটকে আটক

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

জামিনে মুক্তির পর কারাফটকে আটক হয়েছেন রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর কারাফটকে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা তাকে আটক করেন।

এর আগে বিকেল থেকেই সাবেক এমপি কালামের জামিনে মুক্তির খবর জানাজানি হয়। বিকেল থেকে কারাগারের বাইরে সড়কে অবস্থান নেন ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। বাইরে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।

রাত ৮টার দিকে কারাগারের ভেতরের প্রধান ফটক থেকে বের হন কালাম। পরে ডিবি পুলিশের সঙ্গে হেঁটে কারাগারের বাইরের প্রধান ফটকের কাছে আসেন। এ সময় ডিবি পুলিশের একটি জিপে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

আবুল কালাম আজাদ এ সময় উদ্বিগ্ন ও বিমর্ষ দেখাচ্ছিলেন। গাড়িতে তোলার সময় ছাত্রদল, যুবদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ডিবি পুলিশের এক সদস্য বলছিলেন, “এটা পুলিশের গাড়ি, পুলিশের গাড়ি।”

কালাম পুলিশের গাড়িতে উঠে যাওয়ার পর নেতাকর্মীরা গাড়িটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান, কিছু লোক ইটপাটকেলও ছোঁড়েন। এ সময় গাড়ির বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যরা নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিলে দ্রুত গাড়িটি ডিবি কার্যালয়ে চলে যায়।

রাজশাহী কারাগারের ডেপুটি জেলার ফৌজিয়া আক্তার জানান, বাগমারা থানার দুটি মামলায় কারাগারে বন্দী ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। হাইকোর্টে তিনি দুটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন। বুধবার জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছালে তার মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে জানানো হয়েছিল।

এমপি হওয়ার আগে আবুল কালাম আজাদ বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। মেয়র থাকাকালে ঠিকাদারকে অতিরিক্ত ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬১ টাকা বিল পরিশোধ করার অভিযোগে গত ২১ জানুয়ারি কালামসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তবে এ মামলায় কালামকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি বলে জানান কারাগারের ওই ডেপুটি জেলার। তিনি জানান, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে বাগমারা থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় কারাগারে ছিলেন কালাম। এর বাইরে তার নামে অন্য কোনো মামলা আছে কিনা তা তাদের জানা নেই। অন্য কোনো মামলায় গ্রেফতার না থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।