ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বেনজীরের সাভানা ইকো রিসোর্টে এনবিআরের অভিযান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নের সাভানা ইকো রিসোর্টে অভিযান পরিচালনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল। এ সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের কর ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে এনবিআর।

 

মঙ্গলবার সাভানা ইকো রিসোর্টে বেলা ১১টা থেকে এনবিআর সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের পরিচালক মো. তারিক ইকবাল ও ওয়াকিল আহমদের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

 

এসময় বেশ কয়েকটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও বিপুলসংখ্যক নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন এনবিআর কর্মকর্তারা। মূলত সম্পদের হিসাব বিবরণীতে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মাঠের বাস্তবতা মিলিয়ে দেখতেই এ অভিযান বলে জানান তারা।

 

এর আগে কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অসংখ্য অভিযোগও উঠে তার বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা অসংখ্য জমি এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে তাদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, রিসোর্ট তৈরির প্রায় সব জমিই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভয় দেখিয়ে এবং নানা কৌশলে কিনে নেন তিনি। আবার অনেক জমি নেওয়া হয় জবরদখল করেও। রিসোর্ট ও অন্যান্য স্থাপনা মিলে ওই এলাকায় ১ হাজার ৪০০ বিঘা জমি বেনজীরের দখলে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

 

এনবিআরের গোয়েন্দা সেলের উপপরিচালক শাহ মো. ফজলে রাহী বলেন, আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন করে অফিসে পাঠাব। পরবর্তীতে কর অফিস তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

 

বেনজীর আহমেদ ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং ২০২০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক থাকাকালীন গোপালগঞ্জের বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন এই রিসোর্ট ও পার্ক। এসব অভিযোগের তদন্তে গত বছরের ৫ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সাভানা রিসোর্ট পরিদর্শন করে। এর আগে ৩ জুন পার্কটি বন্ধ করে দেয় রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেনজীরের সাভানা ইকো রিসোর্টে এনবিআরের অভিযান

আপডেট সময় : ০৭:০০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নের সাভানা ইকো রিসোর্টে অভিযান পরিচালনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল। এ সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের কর ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে এনবিআর।

 

মঙ্গলবার সাভানা ইকো রিসোর্টে বেলা ১১টা থেকে এনবিআর সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের পরিচালক মো. তারিক ইকবাল ও ওয়াকিল আহমদের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

 

এসময় বেশ কয়েকটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও বিপুলসংখ্যক নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন এনবিআর কর্মকর্তারা। মূলত সম্পদের হিসাব বিবরণীতে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মাঠের বাস্তবতা মিলিয়ে দেখতেই এ অভিযান বলে জানান তারা।

 

এর আগে কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অসংখ্য অভিযোগও উঠে তার বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা অসংখ্য জমি এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে তাদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, রিসোর্ট তৈরির প্রায় সব জমিই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভয় দেখিয়ে এবং নানা কৌশলে কিনে নেন তিনি। আবার অনেক জমি নেওয়া হয় জবরদখল করেও। রিসোর্ট ও অন্যান্য স্থাপনা মিলে ওই এলাকায় ১ হাজার ৪০০ বিঘা জমি বেনজীরের দখলে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

 

এনবিআরের গোয়েন্দা সেলের উপপরিচালক শাহ মো. ফজলে রাহী বলেন, আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন করে অফিসে পাঠাব। পরবর্তীতে কর অফিস তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

 

বেনজীর আহমেদ ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং ২০২০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক থাকাকালীন গোপালগঞ্জের বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন এই রিসোর্ট ও পার্ক। এসব অভিযোগের তদন্তে গত বছরের ৫ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সাভানা রিসোর্ট পরিদর্শন করে। এর আগে ৩ জুন পার্কটি বন্ধ করে দেয় রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।