ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

এবার ভারত সীমান্তে চিন প্রদেশও মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের দখলে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইনের পরে এবার ভারতের মণিপুর রাজ্যের লাগোয়া চিন প্রদেশের দখল নিল মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা।

এই অংশেই মিয়ানমারের কুকি জনগোষ্ঠীর (যারা সে দেশে কুকি-চিন নামে পরিচিত) বসবাস। ফলে নতুন করে সীমান্ত পেরিয়ে মণিপুরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী আউং সান সু চির সমর্থক স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইরাবতী’ জানিয়েছে, চিন প্রদেশের ৮৫ শতাংশই বিদ্রোহী জোটের দখলে।

দেশটির সামরিক জান্তা সরকারের বাহিনীকে হটিয়ে থাইল্যান্ড এবং চীনের সীমান্তবর্তী এলাকার বড় অংশ কয়েক মাস আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল বিদ্রোহী জোট।

চলতি মাসের গোড়ায় বৃহত্তম বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নেতৃত্বে বিদ্রোহী জোট দখল করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশ।

এবার ভারতের মণিপুর সীমান্তও তাদের দখলে গেল। জান্তাবিরোধী নতুন জোট চিন ব্রাদারহুড এর শরিক ‘ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স, সাগাইন অঞ্চলে সক্রিয় ইয়াও আর্মি এবং মনিওয়া পিপলস ডিফেন্স ফোর্স চিন প্রদেশ দখলের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে দ্য ইরাবতী’র দাবি।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী আউং সান সু চির দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি’র নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করেছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। শুরু হয়েছিল সামরিক সামরিক শাসন। তার আড়াই বছরের মাথায়, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে সে দেশের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), আরাকান আর্মি (এএ) এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র (এমএনডিএএ) নতুন জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানের পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন ১০২৭।

পরবর্তী সময়ে জান্তা বিরোধী যুদ্ধে শামিল হয় চিন ন্যাশনাল আর্মি (সিএনএ) এবং চায়নাল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স (সিডিএফ), কাচিন লিবারেশন ডিফেন্স ফোর্স (কেএলডিএফ) এবং সু চির সমর্থক স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটির গভর্নমেন্ট সশস্ত্র বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)।

থাইল্যান্ডে নির্বাসিত মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীদের পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ইরাবতী খোলাখুলি বিদ্রোহীদের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। আর নতুনজোট চিন ব্রাদারহুড’ গঠিত হয়েছে চলতি বছরের গোড়ায়।

ক্ষমতা দখলের চতুর্থ বর্ষপূর্তির দু’মাস আগে এবার বিদ্রোহী বাহিনীর ঘেরাটোপে পড়ে গেল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এবার ভারত সীমান্তে চিন প্রদেশও মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের দখলে

আপডেট সময় : ১২:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইনের পরে এবার ভারতের মণিপুর রাজ্যের লাগোয়া চিন প্রদেশের দখল নিল মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা।

এই অংশেই মিয়ানমারের কুকি জনগোষ্ঠীর (যারা সে দেশে কুকি-চিন নামে পরিচিত) বসবাস। ফলে নতুন করে সীমান্ত পেরিয়ে মণিপুরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী আউং সান সু চির সমর্থক স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইরাবতী’ জানিয়েছে, চিন প্রদেশের ৮৫ শতাংশই বিদ্রোহী জোটের দখলে।

দেশটির সামরিক জান্তা সরকারের বাহিনীকে হটিয়ে থাইল্যান্ড এবং চীনের সীমান্তবর্তী এলাকার বড় অংশ কয়েক মাস আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল বিদ্রোহী জোট।

চলতি মাসের গোড়ায় বৃহত্তম বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নেতৃত্বে বিদ্রোহী জোট দখল করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশ।

এবার ভারতের মণিপুর সীমান্তও তাদের দখলে গেল। জান্তাবিরোধী নতুন জোট চিন ব্রাদারহুড এর শরিক ‘ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স, সাগাইন অঞ্চলে সক্রিয় ইয়াও আর্মি এবং মনিওয়া পিপলস ডিফেন্স ফোর্স চিন প্রদেশ দখলের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে দ্য ইরাবতী’র দাবি।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী আউং সান সু চির দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি’র নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করেছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। শুরু হয়েছিল সামরিক সামরিক শাসন। তার আড়াই বছরের মাথায়, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে সে দেশের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), আরাকান আর্মি (এএ) এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র (এমএনডিএএ) নতুন জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানের পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন ১০২৭।

পরবর্তী সময়ে জান্তা বিরোধী যুদ্ধে শামিল হয় চিন ন্যাশনাল আর্মি (সিএনএ) এবং চায়নাল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স (সিডিএফ), কাচিন লিবারেশন ডিফেন্স ফোর্স (কেএলডিএফ) এবং সু চির সমর্থক স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটির গভর্নমেন্ট সশস্ত্র বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)।

থাইল্যান্ডে নির্বাসিত মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীদের পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ইরাবতী খোলাখুলি বিদ্রোহীদের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। আর নতুনজোট চিন ব্রাদারহুড’ গঠিত হয়েছে চলতি বছরের গোড়ায়।

ক্ষমতা দখলের চতুর্থ বর্ষপূর্তির দু’মাস আগে এবার বিদ্রোহী বাহিনীর ঘেরাটোপে পড়ে গেল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।