ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

আ.লীগের দাসে পরিণত হয়েছিল দুদক ও বিচার বিভাগ : আসিফ নজরুল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৮০ বার পড়া হয়েছে

বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার দাসে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন।

গত ১৬ বছরে সরকারি-বেসরকারি খাতে দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, দুদক ছিল, উচ্চ আদালত ছিল কিন্তু বিচার হয়নি। কিন্তু বিচার হয়েছে খালেদা জিয়ার।

তিন কোটি টাকা একটা জায়গায় রেখেছে প্রক্রিয়াগত ভুলের জন্য একটা টাকা সেখান থেকে কেউ আত্মসাৎ করে নাই আত্মসাৎ করা মানে ভোগ করা। কেউ তা করেছিল? তিন কোটি টাকা ব্যাংকে ছিল ৬ কোটি টাকা হয়েছে। ওই টাকা কেউ স্পর্শ করে নাই সেই জন্য এই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে ১০ বছরের জেল দিয়ে দিয়েছে। এই দেশের দুদক আর বিচার বিভাগ মিলে। আর সেই চোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যার পুরো পরিবার ছিল চোর। সে সারাদেশে বলে বেড়াতো এতিমের টাকা নাকি খালেদা জিয়া আত্মসাৎ করেছে। এই চোরের মুখের সামনে কেউ কোনো কথা বলতে পারতো না। দুদক তার দাসে পরিণত হয়েছিল, বিচার বিভাগ তার দাসে পরিণত হয়েছিল।যোগ করেন আসিফ নজরুল।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ওই সময়ে অনেকে কাজ করতে পারেন নাই, অনেকে এক্সিকিউজ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরও কেউ কেউ কাজ করার চেষ্টা করেছেন। এখন তো সেই পরিবেশ নাই। এখন কি আপনাদের কেউ বলে এই চোরের বিরুদ্ধে মামলা করো না। আপনাদের বিরুদ্ধে কোন তদবির করেছে কোনদিন? কোন উপদেষ্টা থেকে ফোন পেয়েছেন? কেউ বলেছে আপনাদের? কেউ কোনরকম হস্তক্ষেপ করছে না। এখন সেগুলো বিচার করেন। তদন্ত করেন, প্রমাণ করেন যে আপনারা ভালো পরিবেশ পেলে ভালো কাজ করতে পারেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুদকে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বলেন, সৎ প্রজন্ম তৈরি করতে পারলে দুর্নীতিবিরোধী সমাজ গঠন করা সহজ হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেবল প্রতিকারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা নয় সবার মনে দুর্নীতিবিরোধী চেতনা জাগ্রত করতে হবে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আ.লীগের দাসে পরিণত হয়েছিল দুদক ও বিচার বিভাগ : আসিফ নজরুল

আপডেট সময় : ১২:২৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার দাসে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন।

গত ১৬ বছরে সরকারি-বেসরকারি খাতে দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, দুদক ছিল, উচ্চ আদালত ছিল কিন্তু বিচার হয়নি। কিন্তু বিচার হয়েছে খালেদা জিয়ার।

তিন কোটি টাকা একটা জায়গায় রেখেছে প্রক্রিয়াগত ভুলের জন্য একটা টাকা সেখান থেকে কেউ আত্মসাৎ করে নাই আত্মসাৎ করা মানে ভোগ করা। কেউ তা করেছিল? তিন কোটি টাকা ব্যাংকে ছিল ৬ কোটি টাকা হয়েছে। ওই টাকা কেউ স্পর্শ করে নাই সেই জন্য এই দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে ১০ বছরের জেল দিয়ে দিয়েছে। এই দেশের দুদক আর বিচার বিভাগ মিলে। আর সেই চোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যার পুরো পরিবার ছিল চোর। সে সারাদেশে বলে বেড়াতো এতিমের টাকা নাকি খালেদা জিয়া আত্মসাৎ করেছে। এই চোরের মুখের সামনে কেউ কোনো কথা বলতে পারতো না। দুদক তার দাসে পরিণত হয়েছিল, বিচার বিভাগ তার দাসে পরিণত হয়েছিল।যোগ করেন আসিফ নজরুল।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ওই সময়ে অনেকে কাজ করতে পারেন নাই, অনেকে এক্সিকিউজ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরও কেউ কেউ কাজ করার চেষ্টা করেছেন। এখন তো সেই পরিবেশ নাই। এখন কি আপনাদের কেউ বলে এই চোরের বিরুদ্ধে মামলা করো না। আপনাদের বিরুদ্ধে কোন তদবির করেছে কোনদিন? কোন উপদেষ্টা থেকে ফোন পেয়েছেন? কেউ বলেছে আপনাদের? কেউ কোনরকম হস্তক্ষেপ করছে না। এখন সেগুলো বিচার করেন। তদন্ত করেন, প্রমাণ করেন যে আপনারা ভালো পরিবেশ পেলে ভালো কাজ করতে পারেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুদকে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বলেন, সৎ প্রজন্ম তৈরি করতে পারলে দুর্নীতিবিরোধী সমাজ গঠন করা সহজ হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেবল প্রতিকারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা নয় সবার মনে দুর্নীতিবিরোধী চেতনা জাগ্রত করতে হবে।