ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বেরোবিতে অচল টেলিফোন সংযোগে দিতে হয় সচল বিল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সেবা না পেয়েও রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রতি মাসেই দেওয়া হচ্ছে ন্যূনতম  বিল। দীর্ঘদিন ধরে বিটিসিএলের লাইনে কাজ না করায় অধিকাংশ তার নষ্ট হয়ে গেছে। দেখাশোনারও কেউ নেই। তবে অচল লাইনে বিল সচল থাকায় অনেকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি মাসেই গুনতে হচ্ছে টেলিফোন বিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী দফতর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টি টেলিফোনের সংযোগ রয়েছে। ২টি সংযোগ বাদে  সবগুলোই সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অচল। দুইটার মধ্যে একটা উপাচার্য অফিসে এবং আর একটা উপাচার্যের কোয়াটারে। ৫০টির  মধ্যে আবার ১৮টি টেলিফোনের প্রতিমাসে ন্যূনতম বিল দিতে হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও নিয়মিত প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ১৭৩ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অকেজো বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ল্যান্ডফোন সংযোগ। আবার সংযোগ না থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও দফতরের নামে বহাল রয়েছে টেলিফোন সংযোগ। তবে সেগুলো অচল। সার্ভার রুমে সংযোগের লাইনগুলো জবুথবু করে পড়ে আছে। তারপরও বছর শেষে মাসিক ন্যূনতম বিল দিতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এতে সরকারি টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার বাৎসরিক একটা বাজেট এই খাতে দেওয়ায় প্রতি মাসেই রাজস্ব খরচ হচ্ছে।

বিটিসিএলের বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুম বন্ধ আছে বলেও জানা যায়। এখানকার দায়িত্বে বর্তমানে কেউ নেই। প্রকৌশল দফতর জানিয়েছে এটা আইসিটি সেলের দফতরের অধীনে আছে। আবার আইসিটি সেলের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলেন- এটা প্রকৌশল দফতরের অধীনে আছে। আসলে এটার দায়িত্ব কে এটা কেউ জানে না।

এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) আহসানুল হাবিব বলেন, টেলিফোন সংযোগ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এটার নিয়ন্ত্রণ অফিসিয়ালি কেউ করে  না। তবে দুইটা চালু ছিল সে দুইটা এখন চলে কি না জানি না। তবে প্রতিমাসে একটা মিনিমাম বিল দিতে হয়। তবে এই বন্ধ সংযোগে কতদিন ধরে বিল প্রদান করছে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে দেড় দুই বছর ধরে বিল আসছে আমরা সেটা প্রদান করছি। আগে কীভাবে দিত কে দিত সেটা আমি জানি না।

এ বিষয়ে আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক ইন্জিনিয়ার মো. বেলাল হোসেন বলেন, আমরা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করি। টেলিফোনের বিষয়গুলো আমরা দেখি না। কারণ এটার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এটা প্রকৌশল দফতর দেখে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন অর রশীদ বলেন, আমি এই বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। আমরা প্রায় ১৫টির ঊর্ধ্বে ন্যূনতম বিল পরিশোধ করি। তাই  এই বন্ধ ফোনগুলো সচল করার জন্য পিবিএক্স সিস্টেমে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এই জন্য একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে কাজটি হাতে নিয়েছি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেরোবিতে অচল টেলিফোন সংযোগে দিতে হয় সচল বিল

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সেবা না পেয়েও রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রতি মাসেই দেওয়া হচ্ছে ন্যূনতম  বিল। দীর্ঘদিন ধরে বিটিসিএলের লাইনে কাজ না করায় অধিকাংশ তার নষ্ট হয়ে গেছে। দেখাশোনারও কেউ নেই। তবে অচল লাইনে বিল সচল থাকায় অনেকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি মাসেই গুনতে হচ্ছে টেলিফোন বিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী দফতর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টি টেলিফোনের সংযোগ রয়েছে। ২টি সংযোগ বাদে  সবগুলোই সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অচল। দুইটার মধ্যে একটা উপাচার্য অফিসে এবং আর একটা উপাচার্যের কোয়াটারে। ৫০টির  মধ্যে আবার ১৮টি টেলিফোনের প্রতিমাসে ন্যূনতম বিল দিতে হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও নিয়মিত প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ১৭৩ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অকেজো বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ল্যান্ডফোন সংযোগ। আবার সংযোগ না থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও দফতরের নামে বহাল রয়েছে টেলিফোন সংযোগ। তবে সেগুলো অচল। সার্ভার রুমে সংযোগের লাইনগুলো জবুথবু করে পড়ে আছে। তারপরও বছর শেষে মাসিক ন্যূনতম বিল দিতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এতে সরকারি টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার বাৎসরিক একটা বাজেট এই খাতে দেওয়ায় প্রতি মাসেই রাজস্ব খরচ হচ্ছে।

বিটিসিএলের বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুম বন্ধ আছে বলেও জানা যায়। এখানকার দায়িত্বে বর্তমানে কেউ নেই। প্রকৌশল দফতর জানিয়েছে এটা আইসিটি সেলের দফতরের অধীনে আছে। আবার আইসিটি সেলের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলেন- এটা প্রকৌশল দফতরের অধীনে আছে। আসলে এটার দায়িত্ব কে এটা কেউ জানে না।

এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) আহসানুল হাবিব বলেন, টেলিফোন সংযোগ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এটার নিয়ন্ত্রণ অফিসিয়ালি কেউ করে  না। তবে দুইটা চালু ছিল সে দুইটা এখন চলে কি না জানি না। তবে প্রতিমাসে একটা মিনিমাম বিল দিতে হয়। তবে এই বন্ধ সংযোগে কতদিন ধরে বিল প্রদান করছে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে দেড় দুই বছর ধরে বিল আসছে আমরা সেটা প্রদান করছি। আগে কীভাবে দিত কে দিত সেটা আমি জানি না।

এ বিষয়ে আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক ইন্জিনিয়ার মো. বেলাল হোসেন বলেন, আমরা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করি। টেলিফোনের বিষয়গুলো আমরা দেখি না। কারণ এটার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এটা প্রকৌশল দফতর দেখে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন অর রশীদ বলেন, আমি এই বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। আমরা প্রায় ১৫টির ঊর্ধ্বে ন্যূনতম বিল পরিশোধ করি। তাই  এই বন্ধ ফোনগুলো সচল করার জন্য পিবিএক্স সিস্টেমে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এই জন্য একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে কাজটি হাতে নিয়েছি।