ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে দোষী ছেলেকে ক্ষমা করলেন বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে বন্দুক এবং কর বিষয়ক মামলা ছিল। এই মামলায় তিনি দোষীও প্রমাণিত হয়েছিলেন। তবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ছেলেকে ক্ষমা করলেন স্বয়ং বাইডেন। এর ফলে হান্টারকে আর জেলে যেতে হবে না।

২০ জানুয়ারি নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসের অফিসে ঢুকবেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিলেন জো বাইডেন।

হান্টারের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আদালতে তার দোষ প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকায় শাস্তি মকুবের সর্বোচ্চ ক্ষমতা থাকে প্রেসিডেন্টের হাতে। তিনি চাইলে কারো দোষ মকুব করে দিতে পারেন। হান্টারের ক্ষেত্রে সে কাজই করলেন বাইডেন।

সংবাদসংস্থা এএফপি-কে ইমেলে এ বিষয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হান্টার। সেখানে তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমা তিনি জীবন দিয়ে মনে রাখবেন। অসুস্থ এবং রোগক্লীষ্ট মানুষের সেবার কাজে তিনি বাকি জীবন নিয়োজিত করবেন। এটিই হবে তার পাপস্খালনের পথ।

নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন হান্টার। বলেছেন, ওই অন্ধকার দিনগুলো ছিল নেশার। ওই সময় এমন কিছু ভুল করেছি, যার জন্য আমি এখনো লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কাজের জন্য পরিবারকে লজ্জিত হতে হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক জীবনে এর প্রভাব পড়েছে।

জো বাইডেনের বিবৃতি অবশ্য অন্য কথা বলছে। বাইডেন জানিয়েছেন, হান্টারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে এবং যেভাবে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তা অভূতপূর্ব। আমার ছেলে বলেই তাকে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক।

২০২০ সালে বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরেই হান্টার জানিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে। বাইডেন বলেছেন, কংগ্রেসে কিছু ব্যক্তি আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। তাদেরই চক্রান্তে হান্টারকে ফাঁসানো হয়েছিল। সে কারণেই একজন বাবা এবং একজন প্রেসিডেন্টকে এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হলো।

এর আগে বাইডেন বারবার জানিয়েছিলেন, তিনি কোনভাবেই পরিবারের কারো জন্য এই ক্ষমতা ব্যবহার করবেন না। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রও সে কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলেন বাইডেন।

অন্যদিকে, বাইডেনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান এমপিরা।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে দোষী ছেলেকে ক্ষমা করলেন বাইডেন

আপডেট সময় : ১১:২১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে বন্দুক এবং কর বিষয়ক মামলা ছিল। এই মামলায় তিনি দোষীও প্রমাণিত হয়েছিলেন। তবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ছেলেকে ক্ষমা করলেন স্বয়ং বাইডেন। এর ফলে হান্টারকে আর জেলে যেতে হবে না।

২০ জানুয়ারি নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসের অফিসে ঢুকবেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিলেন জো বাইডেন।

হান্টারের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আদালতে তার দোষ প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকায় শাস্তি মকুবের সর্বোচ্চ ক্ষমতা থাকে প্রেসিডেন্টের হাতে। তিনি চাইলে কারো দোষ মকুব করে দিতে পারেন। হান্টারের ক্ষেত্রে সে কাজই করলেন বাইডেন।

সংবাদসংস্থা এএফপি-কে ইমেলে এ বিষয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হান্টার। সেখানে তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমা তিনি জীবন দিয়ে মনে রাখবেন। অসুস্থ এবং রোগক্লীষ্ট মানুষের সেবার কাজে তিনি বাকি জীবন নিয়োজিত করবেন। এটিই হবে তার পাপস্খালনের পথ।

নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন হান্টার। বলেছেন, ওই অন্ধকার দিনগুলো ছিল নেশার। ওই সময় এমন কিছু ভুল করেছি, যার জন্য আমি এখনো লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কাজের জন্য পরিবারকে লজ্জিত হতে হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক জীবনে এর প্রভাব পড়েছে।

জো বাইডেনের বিবৃতি অবশ্য অন্য কথা বলছে। বাইডেন জানিয়েছেন, হান্টারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে এবং যেভাবে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তা অভূতপূর্ব। আমার ছেলে বলেই তাকে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক।

২০২০ সালে বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরেই হান্টার জানিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে। বাইডেন বলেছেন, কংগ্রেসে কিছু ব্যক্তি আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। তাদেরই চক্রান্তে হান্টারকে ফাঁসানো হয়েছিল। সে কারণেই একজন বাবা এবং একজন প্রেসিডেন্টকে এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হলো।

এর আগে বাইডেন বারবার জানিয়েছিলেন, তিনি কোনভাবেই পরিবারের কারো জন্য এই ক্ষমতা ব্যবহার করবেন না। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রও সে কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলেন বাইডেন।

অন্যদিকে, বাইডেনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান এমপিরা।