ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

দুর্নীতি মামলায় খন্দকার মোশাররফ খালাস

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির জৈষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। রোববার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এ রায় দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক আবুল কাশেম জানান, দুদক মামলায় অর্থ পাচারের কোনো সঠিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, এটি ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা। মামলার কারণে ড. খন্দকার মোশাররফকে জেলে যেতে হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।

এর আগে, গত ২২ আগস্ট মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলাতেও খালাস পেয়েছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ। আদালত জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ার বাদী হয়ে রমনা থানায় ড. খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন। একই বছরের ১৪ আগস্ট দুদক তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচার চলাকালে ৯ সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

দুদকের অভিযোগ ছিল, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে ড. খন্দকার মোশাররফ ও তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার হোসেনের যৌথ নামে যুক্তরাজ্যের লয়েড টিএসবি অফশোর প্রাইভেট ব্যাংকে ৮ লাখ ৪ হাজার ১৪২.৪৩ ব্রিটিশ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা) জমা করেন। এই অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তার ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমানকে খালাস পেয়েছেন।  বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের এ রায় দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুর্নীতি মামলায় খন্দকার মোশাররফ খালাস

আপডেট সময় : ০১:৩৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির জৈষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। রোববার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এ রায় দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক আবুল কাশেম জানান, দুদক মামলায় অর্থ পাচারের কোনো সঠিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, এটি ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা। মামলার কারণে ড. খন্দকার মোশাররফকে জেলে যেতে হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস দেন।

এর আগে, গত ২২ আগস্ট মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলাতেও খালাস পেয়েছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ। আদালত জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ার বাদী হয়ে রমনা থানায় ড. খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন। একই বছরের ১৪ আগস্ট দুদক তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচার চলাকালে ৯ সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

দুদকের অভিযোগ ছিল, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে ড. খন্দকার মোশাররফ ও তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার হোসেনের যৌথ নামে যুক্তরাজ্যের লয়েড টিএসবি অফশোর প্রাইভেট ব্যাংকে ৮ লাখ ৪ হাজার ১৪২.৪৩ ব্রিটিশ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা) জমা করেন। এই অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তার ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমানকে খালাস পেয়েছেন।  বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের এ রায় দেন।