ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে আগুন দিলেন আইনজীবীরা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে (মুন্সি সমিতি) আগুন দিয়েছে আইনজীবীদের একাংশ।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভের সময় ইসকন সদস্যদের সহায়তা করার অভিযোগ তুলে ওই অফিসে আগুন ধরিয়ে দেন আইনজীবীরা। এসময় সমিতির আসবাবপত্র এবং ফাইলপত্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতের প্রবেশ মুখে ভূমি অধিগ্রহণ শাখার উল্টো পাশে অবস্থিত ওই সমিতিতে এ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

বিক্ষুব্ধ আইনজীবীদের অভিযোগ মঙ্গলবার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুরের পর ইসকন সদস্যরা তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভ করেন। এসময় মুন্সি সমিতির সদস্যরা নিজেদের পোশাক এবং খাবার পানি বিক্ষোভকারীদের সরবরাহ করেছেন। এছাড়াও তারা উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন।

ফিরোজুল ইসলাম তালুকদার নামে এক বিক্ষুব্ধ আইনজীবী বলেন, এখান থেকে গতকাল মুন্সির পোশাক পরে গিয়ে ইসকনকে সাপোর্ট করেছে। তারা আইনজীবীদের অংশ। তারা তো এটা করতে পারে না। সাধারণ আইনজীবীরা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ।

তিনি আরও বলেন, মুন্সিখানার নাম দিয়ে এখানে সব অপকর্ম করা হয়। প্রায় ১৮শ চেম্বার আছে আদালতে। তারা চেম্বারে না গিয়ে এখানে বসে থাকে। সকালে তাদের ফোন করে স্যার বলে বলে চেম্বারে নিতে হয়। আমরা চেম্বারে যাই ৯টায়, তারা সাহেবের মতো ১০টা নইলে ১২টার দিকে আসে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম আদালতের মুন্সি সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিপন কান্তি নাথ বলেন, আমাদের নথি, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, ডিপিএসের কাগজপত্র, সমিতির সদস্যদের হিসাবের বই, আলমারি ভেঙে বের করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমিতিতে গতকাল কোনো বহিরাগত ঢোকেনি। আমাদের সংগঠনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান– সবাই আছে।

তিনি বলেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও গতকাল আমি উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি গতকালের কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। এখন আমরা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে আগুন দিলেন আইনজীবীরা

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে (মুন্সি সমিতি) আগুন দিয়েছে আইনজীবীদের একাংশ।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভের সময় ইসকন সদস্যদের সহায়তা করার অভিযোগ তুলে ওই অফিসে আগুন ধরিয়ে দেন আইনজীবীরা। এসময় সমিতির আসবাবপত্র এবং ফাইলপত্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতের প্রবেশ মুখে ভূমি অধিগ্রহণ শাখার উল্টো পাশে অবস্থিত ওই সমিতিতে এ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

বিক্ষুব্ধ আইনজীবীদের অভিযোগ মঙ্গলবার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুরের পর ইসকন সদস্যরা তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভ করেন। এসময় মুন্সি সমিতির সদস্যরা নিজেদের পোশাক এবং খাবার পানি বিক্ষোভকারীদের সরবরাহ করেছেন। এছাড়াও তারা উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন।

ফিরোজুল ইসলাম তালুকদার নামে এক বিক্ষুব্ধ আইনজীবী বলেন, এখান থেকে গতকাল মুন্সির পোশাক পরে গিয়ে ইসকনকে সাপোর্ট করেছে। তারা আইনজীবীদের অংশ। তারা তো এটা করতে পারে না। সাধারণ আইনজীবীরা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ।

তিনি আরও বলেন, মুন্সিখানার নাম দিয়ে এখানে সব অপকর্ম করা হয়। প্রায় ১৮শ চেম্বার আছে আদালতে। তারা চেম্বারে না গিয়ে এখানে বসে থাকে। সকালে তাদের ফোন করে স্যার বলে বলে চেম্বারে নিতে হয়। আমরা চেম্বারে যাই ৯টায়, তারা সাহেবের মতো ১০টা নইলে ১২টার দিকে আসে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম আদালতের মুন্সি সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিপন কান্তি নাথ বলেন, আমাদের নথি, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, ডিপিএসের কাগজপত্র, সমিতির সদস্যদের হিসাবের বই, আলমারি ভেঙে বের করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমিতিতে গতকাল কোনো বহিরাগত ঢোকেনি। আমাদের সংগঠনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান– সবাই আছে।

তিনি বলেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও গতকাল আমি উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি গতকালের কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। এখন আমরা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।