ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

নাটকীয়তায় ইংল্যান্ডকে হারাল ক্যারিবীয়রা

  • খেলাধুলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

ইংল্যান্ডের দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়ায় মাত্র ১৪ ওভারেই ১৮৫ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে জয়ের জন্য পরবর্তী ৬ ওভারে তাদের বলের চেয়েও কম ৩৪ রান প্রয়োজন ছিল। এর পরের চার ওভারে স্বাগতিক ক্যারিবীয়রা কোনো বাউন্ডারি পায়নি। এমনকি হারিয়ে বসে দুই উইকেট। এই অবস্থায়–ও এক ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে রভম্যান পাওয়েলের দল। ৫ উইকেটের জয়ে তারা সিরিজে ২-২ সমতা ফিরিয়েছে।

সেন্ট লুসিয়ার গ্রস আইলেট স্টেডিয়ামে এর আগে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ১৯৭ রান তাড়া করার রেকর্ড ছিল। সেই তুলনায় লক্ষ্যটা কিছুটা বেশি হলেও স্বাগতিক ক্যারিবীয় শিবির জয়ের মানসিকতা নিয়েই শুরু থেকে ব্যাটিং করে। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ইংলিশদের সংগ্রহ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৮ রান। জ্যাকব বেথেল ও ফিল সল্ট ঝোড়ো ফিফটি করেছেন।

সফরকারী ইংলিশরা এই ম্যাচ জিতলেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যেত। তবে সমতা ফিরিয়ে শেষ ম্যাচটিকে অঘোষিত ফাইনালে পরিণত করল ক্যারিবীয়রা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংলিশরা কাঙ্ক্ষিত শুরুই পায় দুই ওপেনার সল্ট–উইল জ্যাকসের কল্যাণে। ৫ ওভারেই দুজন মিলে তোলেন ৫৪ রান। আলজারি জোসেফের বলে জ্যাকসের (১২ বলে ২৫) বিদায়ে ভাঙে সেই জুটি। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক জস বাটলার ও সল্ট ৪৮ রান যোগ করেন দলীয় খাতায়।

পছন্দের প্রতিপক্ষ ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে এদিনও ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন সল্ট। তবে ইনিংস আর লম্বা করতে পারেননি,৩৫ বলে ৫টি  চার ও ৪ ছক্কায় তিনি ৫৫ রান করেন। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সেটল হওয়া বাটলারও ফিরেছেন ৩৮ রানে। ২৩ বলে তিনি ২টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। ইংল্যান্ডের বড় পুঁজি আসে তরুণ বেথেলের ব্যাটে। বাঁ-হাতি এই অপরাজিত ব্যাটার ৩২ বলে ৪টি চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৬২ রান। এ ছাড়া স্যাম কারান শেষদিকে ১৩ বলে ২৪ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। ক্যারিবীয় স্পিনার গুদাকেশ মোতি নেন ২ উইকেট।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা যেমন প্রয়োজন ছিল সেভাবেই ব্যাট করেছেন দুই উইন্ডিজ ওপেনার এভিন লুইস ও শাই হোপ। দুজনেই ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করেছেন। উদ্বোধনী জুটিতে তুলেছেন ১৩৬ রান। সেটাই মূলত স্বাগতিকদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। রেহান আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে লুইস ৩১ বলে ৪টি চার ও ৭টি ছক্কায় করেন ৬৮ রান। রানআউটের ফাঁদে আটকানো হোপ করেন ৫৪ রান। মাত্র ২৪ বলে ডানহাতি এই ব্যাটার ৭ চার ও ৩ ছক্কার বাউন্ডারি মেরেছেন।

মাঝে নিকোলাস পুরান (০) ও শিমরন হেটমায়াররা (৭) কিছুটা বিপদে ফেললেও বাকি কাজ সেরেছেন অধিনায়ক পাওয়েল ও শেরফান রাদারফোর্ড। যদিও পাওয়েলের বিদায়ে কিছুটা শঙ্কা ছিল ক্যারিবীয়দের। সেটিও উৎরে গিয়েছেন রাদারফোর্ড। পাওয়েল ২৩ বলে ৩৮ এবং রাদারফোর্ড জয় নিশ্চিত করে ফেরার আগে ১৭ বলে ২৯ রান করেন। শেষ দুই ওভারে ১৫ রান দরকার হলেও, এক ওভার হাতে রেখেই সেটি ‍তুলে নেন এই ব্যাটার। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন রেহান।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাটকীয়তায় ইংল্যান্ডকে হারাল ক্যারিবীয়রা

আপডেট সময় : ০২:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

ইংল্যান্ডের দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়ায় মাত্র ১৪ ওভারেই ১৮৫ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে জয়ের জন্য পরবর্তী ৬ ওভারে তাদের বলের চেয়েও কম ৩৪ রান প্রয়োজন ছিল। এর পরের চার ওভারে স্বাগতিক ক্যারিবীয়রা কোনো বাউন্ডারি পায়নি। এমনকি হারিয়ে বসে দুই উইকেট। এই অবস্থায়–ও এক ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে রভম্যান পাওয়েলের দল। ৫ উইকেটের জয়ে তারা সিরিজে ২-২ সমতা ফিরিয়েছে।

সেন্ট লুসিয়ার গ্রস আইলেট স্টেডিয়ামে এর আগে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ১৯৭ রান তাড়া করার রেকর্ড ছিল। সেই তুলনায় লক্ষ্যটা কিছুটা বেশি হলেও স্বাগতিক ক্যারিবীয় শিবির জয়ের মানসিকতা নিয়েই শুরু থেকে ব্যাটিং করে। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ইংলিশদের সংগ্রহ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৮ রান। জ্যাকব বেথেল ও ফিল সল্ট ঝোড়ো ফিফটি করেছেন।

সফরকারী ইংলিশরা এই ম্যাচ জিতলেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যেত। তবে সমতা ফিরিয়ে শেষ ম্যাচটিকে অঘোষিত ফাইনালে পরিণত করল ক্যারিবীয়রা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংলিশরা কাঙ্ক্ষিত শুরুই পায় দুই ওপেনার সল্ট–উইল জ্যাকসের কল্যাণে। ৫ ওভারেই দুজন মিলে তোলেন ৫৪ রান। আলজারি জোসেফের বলে জ্যাকসের (১২ বলে ২৫) বিদায়ে ভাঙে সেই জুটি। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক জস বাটলার ও সল্ট ৪৮ রান যোগ করেন দলীয় খাতায়।

পছন্দের প্রতিপক্ষ ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে এদিনও ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন সল্ট। তবে ইনিংস আর লম্বা করতে পারেননি,৩৫ বলে ৫টি  চার ও ৪ ছক্কায় তিনি ৫৫ রান করেন। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সেটল হওয়া বাটলারও ফিরেছেন ৩৮ রানে। ২৩ বলে তিনি ২টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। ইংল্যান্ডের বড় পুঁজি আসে তরুণ বেথেলের ব্যাটে। বাঁ-হাতি এই অপরাজিত ব্যাটার ৩২ বলে ৪টি চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৬২ রান। এ ছাড়া স্যাম কারান শেষদিকে ১৩ বলে ২৪ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। ক্যারিবীয় স্পিনার গুদাকেশ মোতি নেন ২ উইকেট।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা যেমন প্রয়োজন ছিল সেভাবেই ব্যাট করেছেন দুই উইন্ডিজ ওপেনার এভিন লুইস ও শাই হোপ। দুজনেই ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করেছেন। উদ্বোধনী জুটিতে তুলেছেন ১৩৬ রান। সেটাই মূলত স্বাগতিকদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। রেহান আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে লুইস ৩১ বলে ৪টি চার ও ৭টি ছক্কায় করেন ৬৮ রান। রানআউটের ফাঁদে আটকানো হোপ করেন ৫৪ রান। মাত্র ২৪ বলে ডানহাতি এই ব্যাটার ৭ চার ও ৩ ছক্কার বাউন্ডারি মেরেছেন।

মাঝে নিকোলাস পুরান (০) ও শিমরন হেটমায়াররা (৭) কিছুটা বিপদে ফেললেও বাকি কাজ সেরেছেন অধিনায়ক পাওয়েল ও শেরফান রাদারফোর্ড। যদিও পাওয়েলের বিদায়ে কিছুটা শঙ্কা ছিল ক্যারিবীয়দের। সেটিও উৎরে গিয়েছেন রাদারফোর্ড। পাওয়েল ২৩ বলে ৩৮ এবং রাদারফোর্ড জয় নিশ্চিত করে ফেরার আগে ১৭ বলে ২৯ রান করেন। শেষ দুই ওভারে ১৫ রান দরকার হলেও, এক ওভার হাতে রেখেই সেটি ‍তুলে নেন এই ব্যাটার। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন রেহান।