ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার আহ্বান হেফাজত আমিরের

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং নবী ও সাহাবিদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার অনুরোধ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

Advertisement

শনিবার বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) আয়োজিত এক সম্মেলনে হেফাজতের আমির এ কথা বলেন।

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিরাসহ আলেমরা দায়িত্ব নিয়ে তাকে (সাদ কান্ধলভী) সংশোধনের চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করে নিজের বক্তব্য সংশোধন করতে রাজি হননি।

২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’ ব্যানারে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তার লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

সরকারের উদ্দেশে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সাদ কান্ধলভী যত দিন খালিস তওবা করে, শুরায়ি নেজাম মেনে দেওবন্দের মুরব্বিদের কাছে রুজু না করবেন, তত দিন তাকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া যাবে না। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজাম দ্বারা পরিচালিত হবে। কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রম ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে চলবে। সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করতে হবে।

সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুন নূর আল কাসিমিয়ার প্রিন্সিপাল নাজমুল হাসান কাসেমী। 

এতে সরকারের কাছে সাতটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করা; হত্যাকাণ্ডসহ অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা বা তাবলিগের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।

অন্য দাবিগুলো হলো সাদপন্থীদের কোনো ‘অযৌক্তিক দাবি’ না মানা; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা; আলেমদের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ওয়াসিফুল ইসলাম, রেজা আরিফ, ওয়াসিফুল ইসলামের ছেলে ওসামা ও সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং আলেমদের মাধ্যমে দাওয়াত ও তাবলিগের সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা।

হেফাজতে ইসলাম   তাবলিগ জামাত

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার আহ্বান হেফাজত আমিরের

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পবিত্র কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং নবী ও সাহাবিদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার অনুরোধ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

Advertisement

শনিবার বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) আয়োজিত এক সম্মেলনে হেফাজতের আমির এ কথা বলেন।

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিরাসহ আলেমরা দায়িত্ব নিয়ে তাকে (সাদ কান্ধলভী) সংশোধনের চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করে নিজের বক্তব্য সংশোধন করতে রাজি হননি।

২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’ ব্যানারে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তার লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

সরকারের উদ্দেশে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সাদ কান্ধলভী যত দিন খালিস তওবা করে, শুরায়ি নেজাম মেনে দেওবন্দের মুরব্বিদের কাছে রুজু না করবেন, তত দিন তাকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া যাবে না। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজাম দ্বারা পরিচালিত হবে। কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রম ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে চলবে। সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করতে হবে।

সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুন নূর আল কাসিমিয়ার প্রিন্সিপাল নাজমুল হাসান কাসেমী। 

এতে সরকারের কাছে সাতটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করা; হত্যাকাণ্ডসহ অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা বা তাবলিগের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।

অন্য দাবিগুলো হলো সাদপন্থীদের কোনো ‘অযৌক্তিক দাবি’ না মানা; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা; আলেমদের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ওয়াসিফুল ইসলাম, রেজা আরিফ, ওয়াসিফুল ইসলামের ছেলে ওসামা ও সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং আলেমদের মাধ্যমে দাওয়াত ও তাবলিগের সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা।

হেফাজতে ইসলাম   তাবলিগ জামাত