ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আ.লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা অবিলম্বে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে: নাহিদ ইসলাম হুথি কারা? কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে? নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন? হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা জন্মদিনে গাড়ি উপহার দেন মা, সেই গাড়ি দিয়ে সড়কে ৩ জনের প্রাণ নিলেন ছেলে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রায় দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বাংকারযুক্ত প্রাসাদে অবস্থান বদল সৌদি যুবরাজের!

ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক সাসপেন্ড

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

যশোরের মধুসূদন তারাপ্রসন্ন (এমএসটিপি) বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলের বিরুদ্ধে।

 

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের মুখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা ও মা অভিযোগ করেন, শিমুল মণ্ডলের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে না পড়ার কারণে তাদের মেয়েকে স্কুল ছুটির পর আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এতে ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও ক্ষত সৃষ্টি হয় বলে তারা দাবি করেন। ভয় দেখানোর কারণে কয়েক দিন বিষয়টি গোপন ছিল। পরে তা পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে।

অভিভাবকরা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য ও প্রতি সপ্তাহে ৩শ টাকা করে শিট বিক্রির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হতো। এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও শারীরিকভাবে হয়রানির অভিযোগও করেছেন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার যশোর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক শিমুল মণ্ডল পলাতক রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারজানা করিম ও সহকারী শিক্ষিকা সুমি খাতুন ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন বলে জানান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এমএসটিপি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আনাম বলেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এমএসটিপির সভাপতি, যশোর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. রফিকুল হাসান। তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে কোতোয়ালি থানার ওসির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোনো ছাড় নয়।

যশোর

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী

ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক সাসপেন্ড

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের মধুসূদন তারাপ্রসন্ন (এমএসটিপি) বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলের বিরুদ্ধে।

 

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের মুখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা ও মা অভিযোগ করেন, শিমুল মণ্ডলের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে না পড়ার কারণে তাদের মেয়েকে স্কুল ছুটির পর আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এতে ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও ক্ষত সৃষ্টি হয় বলে তারা দাবি করেন। ভয় দেখানোর কারণে কয়েক দিন বিষয়টি গোপন ছিল। পরে তা পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে।

অভিভাবকরা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য ও প্রতি সপ্তাহে ৩শ টাকা করে শিট বিক্রির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হতো। এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও শারীরিকভাবে হয়রানির অভিযোগও করেছেন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার যশোর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক শিমুল মণ্ডল পলাতক রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারজানা করিম ও সহকারী শিক্ষিকা সুমি খাতুন ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন বলে জানান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এমএসটিপি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আনাম বলেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এমএসটিপির সভাপতি, যশোর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. রফিকুল হাসান। তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে কোতোয়ালি থানার ওসির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোনো ছাড় নয়।

যশোর