-048747.jpg)
ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বাঁশখালী সমুদ্রসৈকতের নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। এখন সময় বিষয়টি সরকারের সুদৃষ্টিতে এনে বাঁশখালীকে পর্যটন সিটি হিসেবে রূপান্তর করা। এমন হলে বাঁশখালী সমুদ্রসৈকত হবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারের বিকল্প সমুদ্রসৈকত।
বাঁশখালী উপজেলা কক্সবাজার জেলার সঙ্গে লাগোয়া একটি উপজেলা। অদূর ভবিষ্যতে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব কমিয়ে বাঁশখালীর উপর দিয়ে কক্সবাজারে দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা যাতায়াত করবেন। এ লক্ষ্যে বাঁশখালী-পেকুয়া, চকরিয়া-কক্সবাজার মহাসড়কের সম্প্রসারণ কাজ ইতিমধ্যেই হাতে নেওয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে শীঘ্রই শুরু হবে সড়কের সম্প্রসারণ কাজ।
-5c129a.jpg)
পর্যটকদের জন্য আরামের ব্যবস্থা।
দেশ-বিদেশের পর্যটক ও দেশবাসীর কাছে এখনো অজানা- কত বড় পর্যায়ের প্রকৃতিক সম্পদে ভরপুর বাঁশখালী। অথচ অনাদরে-অবহেলায় পড়ে আছে। চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না, বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে পশ্চিম বাঁশখালীর ছনুয়া, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া ও খানখানাবাদ সীমানায় জেগে ওঠা ৩৭ কিলোমিটার বেলাভূমিতে গড়ে উঠেছে সুবিশাল ঝাউবন।
ঝাউবনের পাশেই নিত্য খেলে যায় সাগরের জোয়ার ভাটা। জোয়ারের তীব্রতা বাড়লে হাজারও বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক পাখি ভিড় জমায় ঝাউবনের পাদদেশে। ক্লান্ত বিকেলে নিস্তেজ রবির ধূসর আভায় ঝাউবাগানের শ্রী বেড়ে যায় অনেকখানি। বাঁশখালীবাসী বাস্তবতার আলোকে গর্বের সঙ্গে এটা জোর দিয়ে দাবি করেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার স্বীকৃত পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার, কুয়াকাটা, পতেঙ্গা ও আনোয়ারার পারকি চর অপেক্ষা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হচ্ছে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত।
-8a2501.jpg)
বাঁশখালীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য ।
প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ অবহেলিত সমুদ্র সৈকত এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সাগরের উত্তাল ঢেউ, বালির চর, লবণের মাঠ, চিংড়ি ঘের, ঝাউবন, প্যারাবন, বাইনবাগান আর পাখির কলকাকলি। এছাড়াও রয়েছে চায়না কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ১৩০০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র। ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থাপনা দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটক এসে ভিড় ঝমায়।
পাশাপাশি পুরো সমুদ্র সৈকত ইতিমধ্যেই বেসরকারি পর্যটন এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে পর্যটন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। অথচ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ-এর অভাবই এ স্থানকে বড় পর্যায়ের পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করার পথে বাধা হয়ে আছে।
প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাট ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা হলে বাঁশখালী উপকূল একটি বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত হিসেবে অচিরেই প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। এতে সরকারের বিনিয়োগের টাকাও উঠে আসবে।
Tareq Jamil 




































