ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আ.লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা অবিলম্বে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে: নাহিদ ইসলাম হুথি কারা? কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে? নিজের বাড়ির জানালা সংস্কারে এভাবে অবহেলা করতেন? হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা জন্মদিনে গাড়ি উপহার দেন মা, সেই গাড়ি দিয়ে সড়কে ৩ জনের প্রাণ নিলেন ছেলে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রায় দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বাংকারযুক্ত প্রাসাদে অবস্থান বদল সৌদি যুবরাজের!

‘শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করেছি’ মোদির মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড়

  • Tareq Jamil
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করেছি’ মন্তব্যকে ঘিরে দেশটিতে তীব্র হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি মোদির এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে। বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলের মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষমা নয় বরং তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত। শিক্ষার্থীদের ক্ষমার কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে মোদি বলেন, আন্দোলনের সময় তাকে ও তার মাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হলেও তিনি শিক্ষার্থীদের ‘ক্ষমা’ করেছেন। তিনি বলেন, তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করার সময় এখন।

জবাবে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সরকার একটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ পরীক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যার কারণে বহু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বা শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করেননি।

কংগ্রেস নেতা পি. চিদাম্বরম প্রশ্ন তোলেন, সরকারবিরোধী পোস্টে অশালীন মন্তব্য করা বিজেপি সমর্থকদেরও কি প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা করেছেন? পবন খেরা বলেন, ‘দেশবাসী যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রত্যাশা করছিল, সেখানে তিনি উল্টো দেশবাসীকেই ক্ষমা করে দিয়েছেন।’

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, জনগণ বিজেপিকে ক্ষমা করবে না। শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা উদ্ধব ঠাকরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

অন্যদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে আইন সংশোধন ও টাস্কফোর্স গঠনসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংসদে তথ্যভিত্তিক আলোচনায় সরকার পেয়েছে।

বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকভি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সংবেদনশীলতার বিপরীতে বিরোধীদের আচরণে হতাশা প্রকাশ পেয়েছে।

এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীকে আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করা ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ক্ষমা চেয়ে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, অন্যের প্রভাবে এমন মন্তব্য করেছিলেন এবং এটি তার প্রথম ও শেষ ভুল।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে স্বজনদের কাছে ফিরলেন পরী

‘শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করেছি’ মোদির মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় : ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করেছি’ মন্তব্যকে ঘিরে দেশটিতে তীব্র হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি মোদির এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে। বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলের মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষমা নয় বরং তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত। শিক্ষার্থীদের ক্ষমার কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে মোদি বলেন, আন্দোলনের সময় তাকে ও তার মাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হলেও তিনি শিক্ষার্থীদের ‘ক্ষমা’ করেছেন। তিনি বলেন, তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করার সময় এখন।

জবাবে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সরকার একটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ পরীক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যার কারণে বহু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বা শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করেননি।

কংগ্রেস নেতা পি. চিদাম্বরম প্রশ্ন তোলেন, সরকারবিরোধী পোস্টে অশালীন মন্তব্য করা বিজেপি সমর্থকদেরও কি প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা করেছেন? পবন খেরা বলেন, ‘দেশবাসী যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রত্যাশা করছিল, সেখানে তিনি উল্টো দেশবাসীকেই ক্ষমা করে দিয়েছেন।’

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, জনগণ বিজেপিকে ক্ষমা করবে না। শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা উদ্ধব ঠাকরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

অন্যদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে আইন সংশোধন ও টাস্কফোর্স গঠনসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংসদে তথ্যভিত্তিক আলোচনায় সরকার পেয়েছে।

বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকভি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সংবেদনশীলতার বিপরীতে বিরোধীদের আচরণে হতাশা প্রকাশ পেয়েছে।

এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীকে আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করা ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী ক্ষমা চেয়ে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, অন্যের প্রভাবে এমন মন্তব্য করেছিলেন এবং এটি তার প্রথম ও শেষ ভুল।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস