ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

যুদ্ধে নেমে বড় পতনের মুখে ইসরায়েলের অর্থনীতি

ইরানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতের জেরে চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইসরায়েলের অর্থনীতি বার্ষিকভিত্তিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। ইসরায়েলের সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যের বরাত দিয়ে দেশটির প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবস’ এই উদ্বেগের খবরটি নিশ্চিত করেছে। 

এ বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকোচনের ফলে দেশটিতে টানা দুই প্রান্তিক ধরে বজায় থাকা প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা পুরোপুরি থমকে গেল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিশ্লেষকরা এই চরম অর্থনৈতিক মন্দার পেছনে সরাসরি ইরানের সঙ্গে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতিকেই প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।

ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় নতুন বছরের প্রথম তিন মাসে দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক তথা মাথাপিছু জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন এক ধাক্কায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে গেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে ইসরায়েলের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল, যা নতুন বছরের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা খেল। যুদ্ধের কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই সময়ে দেশটির নাগরিকদের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে দেশের মূল অর্থনীতি সংকুচিত হলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ প্রস্তুতি অব্যাহত রাখার কারণে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বা সামরিক খাতের ব্যয় এক লাফে আরও ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে দেশটিতে কী পরিমাণ অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, সে সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য ও দৃশ্য প্রচারের ওপর ইসরায়েল সরকার অত্যন্ত কঠোর সেন্সরশিপ এবং নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে অনেক তথ্যই সাধারণ মানুষের সামনে আসছে না।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধে নেমে বড় পতনের মুখে ইসরায়েলের অর্থনীতি

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতের জেরে চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইসরায়েলের অর্থনীতি বার্ষিকভিত্তিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। ইসরায়েলের সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যের বরাত দিয়ে দেশটির প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবস’ এই উদ্বেগের খবরটি নিশ্চিত করেছে। 

এ বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকোচনের ফলে দেশটিতে টানা দুই প্রান্তিক ধরে বজায় থাকা প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা পুরোপুরি থমকে গেল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিশ্লেষকরা এই চরম অর্থনৈতিক মন্দার পেছনে সরাসরি ইরানের সঙ্গে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতিকেই প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।

ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় নতুন বছরের প্রথম তিন মাসে দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনমান পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক তথা মাথাপিছু জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন এক ধাক্কায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে গেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে ইসরায়েলের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল, যা নতুন বছরের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা খেল। যুদ্ধের কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই সময়ে দেশটির নাগরিকদের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে দেশের মূল অর্থনীতি সংকুচিত হলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ প্রস্তুতি অব্যাহত রাখার কারণে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বা সামরিক খাতের ব্যয় এক লাফে আরও ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে দেশটিতে কী পরিমাণ অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, সে সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য ও দৃশ্য প্রচারের ওপর ইসরায়েল সরকার অত্যন্ত কঠোর সেন্সরশিপ এবং নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে অনেক তথ্যই সাধারণ মানুষের সামনে আসছে না।