ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মোহাম্মদপুরে অপরাধীদের ধরতে পুলিশের চিরুনি অভিযান

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় চলমান চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে পুরো এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে এবং বসিলা ক্যাম্পে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার, জেনেভা ক্যাম্প, চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান ও বসিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই পর্যায়ক্রমে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। কখনও একযোগে, আবার কখনও ধাপে ধাপে এসব অভিযান চালানো হয়।

তিনি জানান, গত এক সপ্তাহে রায়ের বাজার এলাকায় দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাগুলোর রহস্য উদ্‌ঘাটন করে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।

ডিসি ইবনে মিজান বলেন, মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে বসিলার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে জনবল বাড়ানো হয়েছে। সেখানে এখন দুই প্লাটুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), অর্থাৎ ৬৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সদস্য ভবিষ্যতের সব অভিযানে পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, রায়ের বাজার ও বেড়িবাঁধ এলাকায় অপরাধে জড়িতদের একটি বড় অংশ ভাসমান। তারা আশপাশের উপজেলা ও দূরবর্তী জেলা থেকে এসে এখানে বসবাস করে এবং নির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকায় অনেকেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও রয়েছে। তাদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈধভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে, অন্যথায় এলাকা ছাড়তে হবে।

বসিলার অস্থায়ী ক্যাম্প প্রসঙ্গে ডিসি বলেন, আগে থেকেই এখানে একটি পুলিশ ক্যাম্প ছিল, তবে জনবল কম ছিল। বর্তমানে সেটি শক্তিশালী করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ক্যাম্পকে পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরের বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এলাকাটি মূল থানার আওতা থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় এবং অভিযান পরিচালনা কঠিন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এখানে একটি থানার দাবি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, রোববার রাতে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযানে অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য অংশ নেন। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোহাম্মদপুরে অপরাধীদের ধরতে পুলিশের চিরুনি অভিযান

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় চলমান চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে পুরো এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে এবং বসিলা ক্যাম্পে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার, জেনেভা ক্যাম্প, চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান ও বসিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই পর্যায়ক্রমে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। কখনও একযোগে, আবার কখনও ধাপে ধাপে এসব অভিযান চালানো হয়।

তিনি জানান, গত এক সপ্তাহে রায়ের বাজার এলাকায় দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাগুলোর রহস্য উদ্‌ঘাটন করে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।

ডিসি ইবনে মিজান বলেন, মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে বসিলার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে জনবল বাড়ানো হয়েছে। সেখানে এখন দুই প্লাটুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), অর্থাৎ ৬৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সদস্য ভবিষ্যতের সব অভিযানে পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, রায়ের বাজার ও বেড়িবাঁধ এলাকায় অপরাধে জড়িতদের একটি বড় অংশ ভাসমান। তারা আশপাশের উপজেলা ও দূরবর্তী জেলা থেকে এসে এখানে বসবাস করে এবং নির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকায় অনেকেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও রয়েছে। তাদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈধভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে, অন্যথায় এলাকা ছাড়তে হবে।

বসিলার অস্থায়ী ক্যাম্প প্রসঙ্গে ডিসি বলেন, আগে থেকেই এখানে একটি পুলিশ ক্যাম্প ছিল, তবে জনবল কম ছিল। বর্তমানে সেটি শক্তিশালী করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ক্যাম্পকে পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরের বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এলাকাটি মূল থানার আওতা থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় এবং অভিযান পরিচালনা কঠিন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এখানে একটি থানার দাবি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, রোববার রাতে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযানে অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য অংশ নেন। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।