ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত করেছে বার কাউন্সিল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

গতকাল বুধবার বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,  গত ১২ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবী মাসদার হোসেন তার মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি বার কাউন্সিলের নজরে এসেছে। উল্লিখিত সংবাদমতে, আইনজীবী মাসদার হোসেন বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা এবং পেশাগত নৈতিকতার বিষয়টি বিবেচনা করে বার কাউন্সিল ওই আইনজীবীর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় বুধবার সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি, কেন তার সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না— এ বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

মূলত মো. মাসদার হোসেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবী। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। ১৯৯৯ সালে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার দাবিতে মামলাটি করেন। এই মামলার রায়ের মাধ্যমেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।

মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত করেছে বার কাউন্সিল

আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

গতকাল বুধবার বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,  গত ১২ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবী মাসদার হোসেন তার মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি বার কাউন্সিলের নজরে এসেছে। উল্লিখিত সংবাদমতে, আইনজীবী মাসদার হোসেন বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা এবং পেশাগত নৈতিকতার বিষয়টি বিবেচনা করে বার কাউন্সিল ওই আইনজীবীর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় বুধবার সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি, কেন তার সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না— এ বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

মূলত মো. মাসদার হোসেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবী। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। ১৯৯৯ সালে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার দাবিতে মামলাটি করেন। এই মামলার রায়ের মাধ্যমেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।

মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।