ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কৃষক কার্ডে থাকবে নগদ টাকা, সঙ্গে ১০ সেবা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
প্রথম দফায় ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক কার্ড পাবেন। আগামী চার বছরে দেশের সব কৃষক কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। 

রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৮ বিভাগের ১০ জেলার ১১ উপজেলায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া আরো ১০ ধরনের সুবিধা মিলবে এ কার্ডের মাধ্যমে। কৃষক কার্ডে কোনো রাজনৈতিকীকরণ করা হবে না। এ জন্যই দেশের সব কৃষককে এর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের স্টেডিয়াম থেকে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাইলট প্রকল্প হিসেবে একসঙ্গে ১১ উপজেলায় ওই দিন কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে প্রাথমিকভাবে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর মধ্যে কৃষক, মৎস্যচাষি/আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধখামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির সংকট হলেও সারা দেশে কৃষি সেচে কোনো সমস্যা হবে না। কৃষকরা যাতে পর্যাপ্ত তেল পান, সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যেন জ্বালানির সংকটে কৃষিসেচের সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

প্রথম দফায় কৃষক কার্ড যেসব উপজেলায়

প্রাক-পাইলট পর্যায়ে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার, ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।

কৃষক কার্ডে প্রদত্ত মূল ১০ সেবা

১. ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি;

২. ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা প্রাপ্তি;

৩. সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি;

৪. স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি;

৫. সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রাপ্তি;

৬. মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য প্রাপ্তি;

৭. কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি;

৮. ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রাপ্তি;

৯. কৃষি বীমা সুবিধা প্রাপ্তি;

১০. ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা প্রাপ্তি।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত

কৃষক কার্ডে থাকবে নগদ টাকা, সঙ্গে ১০ সেবা

আপডেট সময় : ০১:২৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম দফায় ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক কার্ড পাবেন। আগামী চার বছরে দেশের সব কৃষক কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। 

রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৮ বিভাগের ১০ জেলার ১১ উপজেলায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া আরো ১০ ধরনের সুবিধা মিলবে এ কার্ডের মাধ্যমে। কৃষক কার্ডে কোনো রাজনৈতিকীকরণ করা হবে না। এ জন্যই দেশের সব কৃষককে এর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের স্টেডিয়াম থেকে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাইলট প্রকল্প হিসেবে একসঙ্গে ১১ উপজেলায় ওই দিন কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে প্রাথমিকভাবে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর মধ্যে কৃষক, মৎস্যচাষি/আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধখামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির সংকট হলেও সারা দেশে কৃষি সেচে কোনো সমস্যা হবে না। কৃষকরা যাতে পর্যাপ্ত তেল পান, সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যেন জ্বালানির সংকটে কৃষিসেচের সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

প্রথম দফায় কৃষক কার্ড যেসব উপজেলায়

প্রাক-পাইলট পর্যায়ে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার, ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।

কৃষক কার্ডে প্রদত্ত মূল ১০ সেবা

১. ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি;

২. ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা প্রাপ্তি;

৩. সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি;

৪. স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি;

৫. সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রাপ্তি;

৬. মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য প্রাপ্তি;

৭. কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি;

৮. ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রাপ্তি;

৯. কৃষি বীমা সুবিধা প্রাপ্তি;

১০. ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা প্রাপ্তি।