ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

গণভোট, গুম ও পুলিশ সংক্রান্তসহ ১১ অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ সরকার পক্ষের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির সরকার পক্ষের এমপিরা আজ (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুপারিশটি উত্থাপন করেন।

তবে, এই কমিটির বিরোধী দলীয় তিনজন সদস্য এসব অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে তাদের নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে অধ্যাদেশ বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন।

বিশেষ কমিটির উপস্থাপিত প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত আকারে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করেছে।

এছাড়া, ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে। বাকি ২০টির মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে এবং ৪টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য এখনই সংসদে বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত জাতীয় সংসদ এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট পেশ করার জন্য বরিশাল -৩ আসনের সাংসদ জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে, যেখানে বিরোধী দলের ৩ জন সংসদ সদস্য ছিলেন।

এই কমিটি তিনটি বৈঠক করে যাচাই-বাছাই করেছে। এক্ষেত্রে অধ্যাদেশগুলো কী প্রয়োজনে প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছে তা জানার জন্য কমিটি অধ্যাদেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মতামত নিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কমিটির সরকার দলের সাংসদ ও বিরোধী দলের সাংসদরা ১৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে একমত হতে পারেননি। ফলে বিরোধী দলের সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং গাজী নজরুল ইসলাম এই ১৩ টি অধ্যাদেশে তাদের নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ সরকার পক্ষ বাতিল করার প্রস্তাব করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণভোট, গুম ও পুলিশ সংক্রান্তসহ ১১ অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ সরকার পক্ষের

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির সরকার পক্ষের এমপিরা আজ (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুপারিশটি উত্থাপন করেন।

তবে, এই কমিটির বিরোধী দলীয় তিনজন সদস্য এসব অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে তাদের নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে অধ্যাদেশ বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন।

বিশেষ কমিটির উপস্থাপিত প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত আকারে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করেছে।

এছাড়া, ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে। বাকি ২০টির মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে এবং ৪টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য এখনই সংসদে বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে গঠিত জাতীয় সংসদ এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট পেশ করার জন্য বরিশাল -৩ আসনের সাংসদ জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে, যেখানে বিরোধী দলের ৩ জন সংসদ সদস্য ছিলেন।

এই কমিটি তিনটি বৈঠক করে যাচাই-বাছাই করেছে। এক্ষেত্রে অধ্যাদেশগুলো কী প্রয়োজনে প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছে তা জানার জন্য কমিটি অধ্যাদেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মতামত নিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কমিটির সরকার দলের সাংসদ ও বিরোধী দলের সাংসদরা ১৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে একমত হতে পারেননি। ফলে বিরোধী দলের সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং গাজী নজরুল ইসলাম এই ১৩ টি অধ্যাদেশে তাদের নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ সরকার পক্ষ বাতিল করার প্রস্তাব করেছে।