ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পাকিস্তানে নিরাপত্তা চৌকিতে গাড়িবোমা হামলা, ১১ নিরাপত্তাকর্মী নিহত

পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়া জেলার বাজাউর জেলার একটি নিরাপত্তা চৌকিতে গাড়িবোমা হামলা হয়েছে। এতে ১১ জন নিরাপত্তাকর্মীসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন।

দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবিভাগ সংযোগ দপ্তর আইএসপিআর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার বাজাউর জেলায় একটি সেনা-পুলিশ যৌথ নিরাপত্তা চৌকিতে কাপুরুষোচিত গাড়িবোমা হামলা চালিয়েছে ভারতের মদতপুষ্ট ফিৎনা আল খারিজি। বিস্ফোরকবাহী লাদেন গাড়িটি নিরপত্তা চৌকির সীমানা প্রাচীরে ধাক্কা দেওয়ার সময় বিস্ফোরিত হয় এবং এতে  ১১ জন নিরাপত্তাকর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।”

নিরাপত্তা চৌকিটি বাজাউরের একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। গাড়িবোমা বিস্ফোরণের জেলে সেই চৌকির আশপাশের ঘরবাড়িগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএসপিআরের বিবৃতিতে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের জেরে ১১ নিরপত্তাকর্মী এবং একজন কিশোরী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশু ও নারী আছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার পর পালানোর সময় সেনা-পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ‘ফিৎনা আল খারিজি’-এর ১২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ফিৎনা আল খারিজি বলে সম্বোধন করে।

পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ফিৎনা আল খারিজি বলে সম্বোধন করে। এই গোষ্ঠীটির মূল লক্ষ্য খাইবার পাখতুনখোয়াকে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং সেখানে আফগানিস্তানের আদলে তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের চার রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তান— এ দু’টি রাজ্যে গত কয়েক বছরে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও হামলার নাটকীয় উল্লম্ফন ঘটেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া মূলত পাকিস্তানের তালেবানপন্থি গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান-এর (টিটিপি) ঘাঁটি অঞ্চল। অন্যদিকে বেলুচিস্তানে ব্যাপকভাবে তৎপর বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

২০২১ সাল থেকে সন্ত্রাসী হামলার উল্লম্ফন পরিলক্ষিত হচ্ছে পাকিস্তানে। এর মধ্যে ২০২৪ সাল ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ বছর। ২০২৪ সালের বছরজুড়ে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা ৪৪টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। শতকরা হিসেবে গত এক দশকের মধ্যে ২০২৪ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার হার ছিল ৪০ শতাংশ বেশি।

সূত্র : ডন

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে নিরাপত্তা চৌকিতে গাড়িবোমা হামলা, ১১ নিরাপত্তাকর্মী নিহত

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়া জেলার বাজাউর জেলার একটি নিরাপত্তা চৌকিতে গাড়িবোমা হামলা হয়েছে। এতে ১১ জন নিরাপত্তাকর্মীসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন।

দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবিভাগ সংযোগ দপ্তর আইএসপিআর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার বাজাউর জেলায় একটি সেনা-পুলিশ যৌথ নিরাপত্তা চৌকিতে কাপুরুষোচিত গাড়িবোমা হামলা চালিয়েছে ভারতের মদতপুষ্ট ফিৎনা আল খারিজি। বিস্ফোরকবাহী লাদেন গাড়িটি নিরপত্তা চৌকির সীমানা প্রাচীরে ধাক্কা দেওয়ার সময় বিস্ফোরিত হয় এবং এতে  ১১ জন নিরাপত্তাকর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।”

নিরাপত্তা চৌকিটি বাজাউরের একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। গাড়িবোমা বিস্ফোরণের জেলে সেই চৌকির আশপাশের ঘরবাড়িগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএসপিআরের বিবৃতিতে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের জেরে ১১ নিরপত্তাকর্মী এবং একজন কিশোরী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশু ও নারী আছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার পর পালানোর সময় সেনা-পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ‘ফিৎনা আল খারিজি’-এর ১২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ফিৎনা আল খারিজি বলে সম্বোধন করে।

পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ফিৎনা আল খারিজি বলে সম্বোধন করে। এই গোষ্ঠীটির মূল লক্ষ্য খাইবার পাখতুনখোয়াকে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং সেখানে আফগানিস্তানের আদলে তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের চার রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তান— এ দু’টি রাজ্যে গত কয়েক বছরে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও হামলার নাটকীয় উল্লম্ফন ঘটেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া মূলত পাকিস্তানের তালেবানপন্থি গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান-এর (টিটিপি) ঘাঁটি অঞ্চল। অন্যদিকে বেলুচিস্তানে ব্যাপকভাবে তৎপর বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

২০২১ সাল থেকে সন্ত্রাসী হামলার উল্লম্ফন পরিলক্ষিত হচ্ছে পাকিস্তানে। এর মধ্যে ২০২৪ সাল ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ বছর। ২০২৪ সালের বছরজুড়ে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা ৪৪টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। শতকরা হিসেবে গত এক দশকের মধ্যে ২০২৪ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার হার ছিল ৪০ শতাংশ বেশি।

সূত্র : ডন