ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। সেদিন সকালে শপথ নেবেন তারা। একই দিন বিকালে শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরইমধ্যে এ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এমপিদের শপথ গ্রহণের পর ওইদিন বিকেলে একই স্থানে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।

সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। এবার এর ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

জাতীয় সংসদ হলো গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। দেড় বছর ধরে জাতীয় সংসদ না থাকলেও সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার শপথও সেখানে হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ী ব্যক্তিদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

সাধারণত জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা বলেন, আপাতত ১৭ তারিখ শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পরদিন ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর থেকে সংসদ না থাকলেও সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা সংবিধান সংস্কার কমিশন তাদের কার্যালয় করেছিল সংসদ ভবন এলাকায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের আগ্রহের প্রেক্ষিতে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কার্যালয় সেখানে করা হয়েছিল।

এরপর নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কার্যালয়ও স্থানান্তর করা হয় সংসদ ভবন এলাকায়। সর্বশেষ তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিশনের কার্যালয়ও ছিল এই এলাকায়। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করেছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ওই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছিল জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়।

প্রসঙ্গত, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনে বিজয়ীদের গেজেট জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট জারি করা হয়নি।

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফলাফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার

আপডেট সময় : ১০:৪০:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। সেদিন সকালে শপথ নেবেন তারা। একই দিন বিকালে শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরইমধ্যে এ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এমপিদের শপথ গ্রহণের পর ওইদিন বিকেলে একই স্থানে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।

সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। এবার এর ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

জাতীয় সংসদ হলো গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। দেড় বছর ধরে জাতীয় সংসদ না থাকলেও সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার শপথও সেখানে হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ী ব্যক্তিদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

সাধারণত জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা বলেন, আপাতত ১৭ তারিখ শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পরদিন ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর থেকে সংসদ না থাকলেও সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন করা সংবিধান সংস্কার কমিশন তাদের কার্যালয় করেছিল সংসদ ভবন এলাকায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের আগ্রহের প্রেক্ষিতে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কার্যালয় সেখানে করা হয়েছিল।

এরপর নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কার্যালয়ও স্থানান্তর করা হয় সংসদ ভবন এলাকায়। সর্বশেষ তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিশনের কার্যালয়ও ছিল এই এলাকায়। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করেছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ওই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছিল জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়।

প্রসঙ্গত, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনে বিজয়ীদের গেজেট জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট জারি করা হয়নি।

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফলাফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।