ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ভোট সুষ্ঠু হলেও গণনায় ১০ শতাংশ কারচুপি হয়েছে : নাহিদ ইসলাম

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

জনগণ ৬০ শতাংশের বেশি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটের মতো জনগণ কিন্তু ১১ দলের পক্ষেই ভোট দিয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ১০ শতাংশের মতো ভোট কারচুপি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভোট গণনার ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। না হলে এই পুরা ভোটটাই ১১ দলের পক্ষেই আসতো। শেষ মুহূর্তে ১১ দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

আন্দোলনের হুমকি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ১১ দলের পক্ষে নির্বাচনে কাজ করেছে, ১১ দলের নেতা-কর্মী, সমর্থকদেরকে হেফাজতের স্বার্থে প্রয়োজনে আন্দোলনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে ১১ দল।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের অবস্থান খুবই সুস্পষ্ট। এই নির্বাচনে সুস্পষ্টভাবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। একটা পর্যায় পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছিল। আমরা সেটাকে স্বাগতও জানিয়েছিলাম। কিন্তু ফলাফল যখন ঘোষণা করার সময় হয়েছে ওই সময়টাতে স্পেসিফিক অনেকগুলো আসনকে টার্গেট করে কারচুপি করা হয়েছে৷

তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকের ঢাকা-১৩ আসন, ঢাকা-৮ আসন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের আসন। এরকম স্পেসিফিক কয়েকটা আসনকে টার্গেট করে সেটার ফলাফল পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলোকে দখল করে সেই কেন্দ্রে জোর করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে সে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন যেই কথা আমরা শুনেছি, আমরা সেই প্ল্যানের একটা বাস্তবায়ন বা সেই প্ল্যানের একটা স্বরূপ কিন্তু এই নির্বাচনে দেখতে পাচ্ছি। এই ধরনের ফলাফল কারচুপি করে যারা পুরনো আমলে আওয়ামী লীগ যেইভাবে নির্বাচন করেছে, সেই ধরনের প্রচেষ্টা আমরা তাদের ভেতর দেখতে পাচ্ছি।

নির্বাচন-পরবর্তীতে দেশব্যাপী ১১ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে সেটা নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন এসেছে। কারণ নির্বাচনের পরদিনই যারা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপরে হামলা, সারাদেশে নির্বিচারে বাড়িঘরে হামলা, আগুন লাগানো, হুমকি এবং এলাকা ছাড়া করতেছে তাদের কাছে এই দেশের জনগণ এই দেশের মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন এসেছে।

দেশবাসীর সামনে এমন প্রশ্নের সামনে আমরা ১১ দল কিন্তু ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, জামায়াত আমির শফিকুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেছেন, এটার জন্য রাজপথে নামার প্রয়োজন হলে আমরা সেটার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ এই দেশের মানুষকে যারা ১১ দলের পক্ষে নির্বাচনে কাজ করেছে, নেতা-কর্মী, সমর্থকদেরকে হেফাজত করা তাদেরকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।

জনগণকে অভিবাদন জানিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, জনগণ এতো প্রতিকূলতার মধ্যেও ১১ দলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ১১ দলের পক্ষে বিজয়ী হয়েছেন। অনেকেই অনেক কারচুপি করেছেন, বিজয় আটকানো যায়নি।

গণভোট সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এই নির্বাচনে কিন্তু সুস্পষ্ট দুইটা পক্ষ ছিল। একটা সংস্কারের পক্ষ। পরিবর্তনের পক্ষ। যারা সংস্কার চায়, গণতন্ত্র চায়, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে চায়। লুটপাট বন্ধ করতে চায় বিচার এবং সংস্কার চায় আধিপত্য বিরোধীতা চায়। আরেকটি পক্ষ যারা পুরনো বন্দোবস্ত, পুরনো রাজনীতিকে প্রতিনিধিত্ব করেছে, যারা ৭২-এর সংবিধানকে চেয়েছে, যারা পুরনো যত ধরনের রাজনীতি আছে, যারা ঋণখেলাপীদেরকে প্রশ্রয় দিয়েছে, যারা লুটপাট দুর্নীতি সে একই রাজনীতি করতে চায়। ফলে জনগণ ব্যাপকভাবে যেই ৬০ শতাংশের বেশি সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সে একই জনগণ কিন্তু ১১ দলের পক্ষেও ভোট দিয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই ১০ শতাংশের মতো ভোট কারচুপি করা হয়েছে। ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। না হলে এই পুরা ভোটটাই ১১ দলের পক্ষেই আসতো। শেষ মুহূর্তে ১১ দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে সুস্পষ্টভাবে এসব ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রার্থীরা অভিযোগ জানাবে। নির্বাচন কমিশন সেখানে কি ভূমিকা পালন করতেছে, তাদের অবস্থান কি, এর ওপর নির্ভর করবে আমাদের নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত অবস্থান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি এটিএম মা’ছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভোট সুষ্ঠু হলেও গণনায় ১০ শতাংশ কারচুপি হয়েছে : নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ০১:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জনগণ ৬০ শতাংশের বেশি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটের মতো জনগণ কিন্তু ১১ দলের পক্ষেই ভোট দিয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ১০ শতাংশের মতো ভোট কারচুপি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভোট গণনার ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। না হলে এই পুরা ভোটটাই ১১ দলের পক্ষেই আসতো। শেষ মুহূর্তে ১১ দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

আন্দোলনের হুমকি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ১১ দলের পক্ষে নির্বাচনে কাজ করেছে, ১১ দলের নেতা-কর্মী, সমর্থকদেরকে হেফাজতের স্বার্থে প্রয়োজনে আন্দোলনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে ১১ দল।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের অবস্থান খুবই সুস্পষ্ট। এই নির্বাচনে সুস্পষ্টভাবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। একটা পর্যায় পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছিল। আমরা সেটাকে স্বাগতও জানিয়েছিলাম। কিন্তু ফলাফল যখন ঘোষণা করার সময় হয়েছে ওই সময়টাতে স্পেসিফিক অনেকগুলো আসনকে টার্গেট করে কারচুপি করা হয়েছে৷

তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকের ঢাকা-১৩ আসন, ঢাকা-৮ আসন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের আসন। এরকম স্পেসিফিক কয়েকটা আসনকে টার্গেট করে সেটার ফলাফল পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলোকে দখল করে সেই কেন্দ্রে জোর করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে সে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন যেই কথা আমরা শুনেছি, আমরা সেই প্ল্যানের একটা বাস্তবায়ন বা সেই প্ল্যানের একটা স্বরূপ কিন্তু এই নির্বাচনে দেখতে পাচ্ছি। এই ধরনের ফলাফল কারচুপি করে যারা পুরনো আমলে আওয়ামী লীগ যেইভাবে নির্বাচন করেছে, সেই ধরনের প্রচেষ্টা আমরা তাদের ভেতর দেখতে পাচ্ছি।

নির্বাচন-পরবর্তীতে দেশব্যাপী ১১ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলার বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে সেটা নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন এসেছে। কারণ নির্বাচনের পরদিনই যারা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপরে হামলা, সারাদেশে নির্বিচারে বাড়িঘরে হামলা, আগুন লাগানো, হুমকি এবং এলাকা ছাড়া করতেছে তাদের কাছে এই দেশের জনগণ এই দেশের মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন এসেছে।

দেশবাসীর সামনে এমন প্রশ্নের সামনে আমরা ১১ দল কিন্তু ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, জামায়াত আমির শফিকুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেছেন, এটার জন্য রাজপথে নামার প্রয়োজন হলে আমরা সেটার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ এই দেশের মানুষকে যারা ১১ দলের পক্ষে নির্বাচনে কাজ করেছে, নেতা-কর্মী, সমর্থকদেরকে হেফাজত করা তাদেরকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।

জনগণকে অভিবাদন জানিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, জনগণ এতো প্রতিকূলতার মধ্যেও ১১ দলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ১১ দলের পক্ষে বিজয়ী হয়েছেন। অনেকেই অনেক কারচুপি করেছেন, বিজয় আটকানো যায়নি।

গণভোট সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এই নির্বাচনে কিন্তু সুস্পষ্ট দুইটা পক্ষ ছিল। একটা সংস্কারের পক্ষ। পরিবর্তনের পক্ষ। যারা সংস্কার চায়, গণতন্ত্র চায়, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে চায়। লুটপাট বন্ধ করতে চায় বিচার এবং সংস্কার চায় আধিপত্য বিরোধীতা চায়। আরেকটি পক্ষ যারা পুরনো বন্দোবস্ত, পুরনো রাজনীতিকে প্রতিনিধিত্ব করেছে, যারা ৭২-এর সংবিধানকে চেয়েছে, যারা পুরনো যত ধরনের রাজনীতি আছে, যারা ঋণখেলাপীদেরকে প্রশ্রয় দিয়েছে, যারা লুটপাট দুর্নীতি সে একই রাজনীতি করতে চায়। ফলে জনগণ ব্যাপকভাবে যেই ৬০ শতাংশের বেশি সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সে একই জনগণ কিন্তু ১১ দলের পক্ষেও ভোট দিয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই ১০ শতাংশের মতো ভোট কারচুপি করা হয়েছে। ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে। না হলে এই পুরা ভোটটাই ১১ দলের পক্ষেই আসতো। শেষ মুহূর্তে ১১ দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে সুস্পষ্টভাবে এসব ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রার্থীরা অভিযোগ জানাবে। নির্বাচন কমিশন সেখানে কি ভূমিকা পালন করতেছে, তাদের অবস্থান কি, এর ওপর নির্ভর করবে আমাদের নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত অবস্থান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি এটিএম মা’ছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।