ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

তরুণ প্রজন্ম আগামী ৫০ বছর পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করবে: মান্না

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

আগস্ট বিপ্লবকে সার্থক ও ফলপ্রসূ করতে রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শরিক সব রাজনৈতিক দলকে নূন্যতম একটি ঐক্যবদ্ধ জায়গায় আসতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন পর্যন্ত যেমন সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম পরিবর্তিত এই সময়েও আমরা তা ধরে না রাখতে পারলে আমাদের লড়াই সংগ্রাম নষ্ট হতে পারে। সুতরাং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত আমাদের সবাকেই সজাগ থাকতে হবে।

আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত “বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থান উত্তর নতুন বাংলাদেশ: রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপ” বিষয়ক নাগরিক ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন

এসময় তিনি আরো বলে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী তরুণ প্রজন্ম আগামী পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করবে। সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে এমন কিছু করা যাবে না, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নিতে পারে।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মহসিন রশিদ, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, যুক্তফোরামে প্রধান সমন্বয়কারী চাষী মামুন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সহ-সভাপতি হাকিম মাওলানা মিজানুর রহমান, জাতীয় ইসলামী পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতি জুনায়েদ গুলজার, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ জাস্টিজ পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল কাশেম মজুমদার, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির পার্বত্য বিষয়ক সচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ জাবের হোসেন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা একে এম আশরাফুল হক বলেন ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের কোন সুযোগ জনগণ মানবে না। ছাত্রজনতার রক্তস্নাতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লবের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং এই সরকারকে ছাত্রজনতার রক্ত ও বিপ্লবের স্পিরিটকে মূল্যায়ন করতে হবে। সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে বিপ্লবী ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এসময় তিনি এই লক্ষ্যে সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করে নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবি করেন। আনুপাতিক নয়; বরং আসন ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতি বহাল রাখার কথা বলেন। এছাড়া নেজামে ইসলাম পার্টির প্রস্তাবনায় গত ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিল করে ওসব দল নিষিদ্ধ করণ এবং ২২ জুলাই ২০২৪ পতিত স্বৈরাচারী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন প্রতিহত করার নিমিত্তে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যারা উপস্থিত হয়ে ছিল তাদেরকে গণহত্যার সহযোগী হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তরুণ প্রজন্ম আগামী ৫০ বছর পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করবে: মান্না

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

আগস্ট বিপ্লবকে সার্থক ও ফলপ্রসূ করতে রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শরিক সব রাজনৈতিক দলকে নূন্যতম একটি ঐক্যবদ্ধ জায়গায় আসতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন পর্যন্ত যেমন সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম পরিবর্তিত এই সময়েও আমরা তা ধরে না রাখতে পারলে আমাদের লড়াই সংগ্রাম নষ্ট হতে পারে। সুতরাং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত আমাদের সবাকেই সজাগ থাকতে হবে।

আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত “বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থান উত্তর নতুন বাংলাদেশ: রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপ” বিষয়ক নাগরিক ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন

এসময় তিনি আরো বলে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী তরুণ প্রজন্ম আগামী পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করবে। সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে এমন কিছু করা যাবে না, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নিতে পারে।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মহসিন রশিদ, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, যুক্তফোরামে প্রধান সমন্বয়কারী চাষী মামুন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সহ-সভাপতি হাকিম মাওলানা মিজানুর রহমান, জাতীয় ইসলামী পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতি জুনায়েদ গুলজার, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ জাস্টিজ পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল কাশেম মজুমদার, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির পার্বত্য বিষয়ক সচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ জাবের হোসেন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা একে এম আশরাফুল হক বলেন ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের কোন সুযোগ জনগণ মানবে না। ছাত্রজনতার রক্তস্নাতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লবের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং এই সরকারকে ছাত্রজনতার রক্ত ও বিপ্লবের স্পিরিটকে মূল্যায়ন করতে হবে। সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনী রোডম্যাপে বিপ্লবী ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এসময় তিনি এই লক্ষ্যে সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করে নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবি করেন। আনুপাতিক নয়; বরং আসন ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতি বহাল রাখার কথা বলেন। এছাড়া নেজামে ইসলাম পার্টির প্রস্তাবনায় গত ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের রাজনৈতিক নিবন্ধন বাতিল করে ওসব দল নিষিদ্ধ করণ এবং ২২ জুলাই ২০২৪ পতিত স্বৈরাচারী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন প্রতিহত করার নিমিত্তে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যারা উপস্থিত হয়ে ছিল তাদেরকে গণহত্যার সহযোগী হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।