ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শ্রীলঙ্কায় গণঅভ্যুত্থানে এমপিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১২ জনের ফাঁসি।

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

২০২২ সালে বিক্ষোভের সময় একজন আইনপ্রণেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার একটি আদালত। ওই বিক্ষোভের জেরেই দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।

তদন্তকারীরা আদালতকে জানান, নিত্তাম্বুয়া শহরে ৫৭ বছর বয়সি আইনপ্রণেতা অমরকীর্তি আথুকোরালা তার গাড়ি আটকে রাখা লোকজনের ওপর গুলি চালানোর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

মালয়েশিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, আথুকোরালা জনতার চাপে একটি ভবনে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রায় ৫ হাজার মানুষ তাকে ঘিরে ফেলে, যাদের মধ্যে কয়েকজন তার দেহরক্ষীর সঙ্গে মিলে এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কাজুড়ে চলা বিক্ষোভের মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফুরিয়ে গিয়েছিল।
 
গাম্পাহা হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং আরও ২৩ জন সন্দেহভাজনকে খালাস দেন। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যাবে। 
 
শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি, যদিও গুরুতর অপরাধে দোষীদের নিয়মিতভাবে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়।
 
২০২২ সালের বিক্ষোভের সময় সরকারদলীয় আইনপ্রণেতাদের প্রায় ৭৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এর আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের সমর্থকরা কলম্বোতে শান্তিপূর্ণ এক সমাবেশে সহিংসতা চালায়।
 
পরে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে এবং তার ভাই প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, দু’জনই পদত্যাগ করেন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সরকার ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক ঋণে খেলাপি হওয়ার পরই বিক্ষোভ শুরু হয়।
 
রাজাপাকসের উত্তরসূরি রনিল বিক্রমাসিংহে ২০২৩ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করেন। যদিও ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বামপন্থি অনুরা কুমারা দিশানায়েকের কাছে পরাজিত হন।
 
দায়িত্ব নেয়ার পর পূর্বসূরির কৃচ্ছ্রসাধন নীতি বহাল রেখে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছেন দিশানায়েকে।
সূত্র: দ্য সান
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রীলঙ্কায় গণঅভ্যুত্থানে এমপিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১২ জনের ফাঁসি।

আপডেট সময় : ১২:৪০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২২ সালে বিক্ষোভের সময় একজন আইনপ্রণেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার একটি আদালত। ওই বিক্ষোভের জেরেই দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।

তদন্তকারীরা আদালতকে জানান, নিত্তাম্বুয়া শহরে ৫৭ বছর বয়সি আইনপ্রণেতা অমরকীর্তি আথুকোরালা তার গাড়ি আটকে রাখা লোকজনের ওপর গুলি চালানোর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

মালয়েশিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, আথুকোরালা জনতার চাপে একটি ভবনে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রায় ৫ হাজার মানুষ তাকে ঘিরে ফেলে, যাদের মধ্যে কয়েকজন তার দেহরক্ষীর সঙ্গে মিলে এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কাজুড়ে চলা বিক্ষোভের মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফুরিয়ে গিয়েছিল।
 
গাম্পাহা হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং আরও ২৩ জন সন্দেহভাজনকে খালাস দেন। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যাবে। 
 
শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি, যদিও গুরুতর অপরাধে দোষীদের নিয়মিতভাবে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়।
 
২০২২ সালের বিক্ষোভের সময় সরকারদলীয় আইনপ্রণেতাদের প্রায় ৭৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এর আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের সমর্থকরা কলম্বোতে শান্তিপূর্ণ এক সমাবেশে সহিংসতা চালায়।
 
পরে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে এবং তার ভাই প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, দু’জনই পদত্যাগ করেন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সরকার ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক ঋণে খেলাপি হওয়ার পরই বিক্ষোভ শুরু হয়।
 
রাজাপাকসের উত্তরসূরি রনিল বিক্রমাসিংহে ২০২৩ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করেন। যদিও ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বামপন্থি অনুরা কুমারা দিশানায়েকের কাছে পরাজিত হন।
 
দায়িত্ব নেয়ার পর পূর্বসূরির কৃচ্ছ্রসাধন নীতি বহাল রেখে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছেন দিশানায়েকে।
সূত্র: দ্য সান