ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সব ধর্মীয় গোষ্ঠীকে নিরাপত্তা দেবে সরকার : ধর্ম উপদেষ্টা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সংবিধানে সব ধর্মের অধিকার সমান। এই অধিকারে যেন কেউ বিঘ্ন ঘটাতে না‌ পারে, সরকার নিরাপত্তা  (সেফ গার্ড) দেবে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলের ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি : বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এম আইপিএস, দ্য হাংগার প্রজেক্ট।

আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর আমেরিকায় একটি সেমিনার হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই সেমিনার কারা আয়োজন করেছে সেই রিপোর্ট আমাদের কাছে আছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত দেখা করতে এলে এই বিষয়টি তোলেন। তাই ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে সরকার কোনো ছাড় দেবে না।

বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি, ভাবমূর্তি এবং সুনাম যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এ সরকার সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি নিশ্চিত করতে সব ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আমরা বসেছি, প্রধান উপদেষ্টাও আলাদাভাবে বসেছেন।

আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেন, এ দেশে সব ধর্মীয় মানুষের যেমন রাজনৈতিক অধিকার আছে তেমনি তার মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে। তবে নিরাপত্তায় যারা বিঘ্ন ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না‌। যারা উপাসনালয় হামলা চালায়, পরিবেশ বিঘ্নিত করতে চায়, তারা দুর্বৃত্ত, সন্ত্রাসী। তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই।

উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে যারা উপাসনালয় হামলা করেছে বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধার সৃষ্টি করেছে তাদের আমরা চিহ্নিত করেছি, তাদের আইনের আওতায় এনেছি। তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রফিক উল ইসলাম, আইপিএস ডেপুটি ডিরেক্টর ড. নাজমুল নাহার নূর লুবনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মোস্তফা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার নিউমারারি শিক্ষক ড. সুকুমার বড়ুয়া‌ প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব ধর্মীয় গোষ্ঠীকে নিরাপত্তা দেবে সরকার : ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সংবিধানে সব ধর্মের অধিকার সমান। এই অধিকারে যেন কেউ বিঘ্ন ঘটাতে না‌ পারে, সরকার নিরাপত্তা  (সেফ গার্ড) দেবে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলের ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি : বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এম আইপিএস, দ্য হাংগার প্রজেক্ট।

আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর আমেরিকায় একটি সেমিনার হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই সেমিনার কারা আয়োজন করেছে সেই রিপোর্ট আমাদের কাছে আছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত দেখা করতে এলে এই বিষয়টি তোলেন। তাই ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে সরকার কোনো ছাড় দেবে না।

বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি, ভাবমূর্তি এবং সুনাম যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এ সরকার সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি নিশ্চিত করতে সব ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আমরা বসেছি, প্রধান উপদেষ্টাও আলাদাভাবে বসেছেন।

আ ফ‌ ম খালিদ হোসেন বলেন, এ দেশে সব ধর্মীয় মানুষের যেমন রাজনৈতিক অধিকার আছে তেমনি তার মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে। তবে নিরাপত্তায় যারা বিঘ্ন ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না‌। যারা উপাসনালয় হামলা চালায়, পরিবেশ বিঘ্নিত করতে চায়, তারা দুর্বৃত্ত, সন্ত্রাসী। তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই।

উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে যারা উপাসনালয় হামলা করেছে বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধার সৃষ্টি করেছে তাদের আমরা চিহ্নিত করেছি, তাদের আইনের আওতায় এনেছি। তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রফিক উল ইসলাম, আইপিএস ডেপুটি ডিরেক্টর ড. নাজমুল নাহার নূর লুবনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মোস্তফা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার নিউমারারি শিক্ষক ড. সুকুমার বড়ুয়া‌ প্রমুখ।