ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা বদ্ধপরিকর: শিবির সভাপতি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

একটি সমৃদ্ধ, ইনসাফভিত্তিক ও আদর্শিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রশিবির বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সংগঠনটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সংগঠনটির র‌্যালি শাহবাগে পৌঁছালে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার ৪৯ বছরে পদার্পণ করে ছাত্রশিবির আজ বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। শত জুলুম ও নির্যাতনের পাহাড় পাড়ি দিয়ে ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে ছাত্রশিবির আজ এক অপরাজেয় কাফেলায় রূপ নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘একটি সমৃদ্ধ, ইনসাফভিত্তিক ও আদর্শিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রশিবির বদ্ধপরিকর।’

তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে দেশ গঠনের কাজে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, গঠনমূলক কাজের মাধ্যমেই ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে এবং এই কাফেলাই আগামী দিনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে, ইনশাআল্লাহ।

একই সঙ্গে তিনি সকল প্রকার আধিপত্যবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অতীতের ন্যায় আগামীতেও ছাত্রশিবিরের আপসহীন সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা ঐতিহাসিক শাহবাগের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই শাহবাগ থেকেই ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর কাসেম আলী এবং দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় সভাপতি কামারুজ্জামানকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি ভারতীয় আধিপত্যবাদের ছকে মব সৃষ্টি করে ভুয়া বিচারের মাধ্যমে শহীদ করেছিল। সময়ের পরিক্রমায় সেই খুনি ও জালিম শক্তিকে পরাজিত করে ছাত্রশিবির আজ সেই একই শাহবাগে সগৌরবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে।

বক্তারা বলেন, এই সত্যের পুনরুত্থান প্রমাণ করে—জুলুম করে আদর্শকে স্তব্ধ করা যায় না; বরং শাহাদাতের রক্তে রঞ্জিত হয়েই এই কাফেলা আরও শক্তিশালী ও সংহত হয়েছে। তারা শহীদদের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করেন।

সমাবেশে শহীদ আবু সাঈদ, আবরার ফাহাদ ও ওসমান হাদীর আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং তাদের হত্যার যথাযথ বিচার দাবি করা হয়।

সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন- সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহ মাহফুজুল হক এবং সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান।

“মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ”- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে বিশাল স্বাগত র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামের নেতৃত্বে র‍্যালিতে সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। নেতাকর্মীরা মাথায় রঙিন ক্যাপ, হাতে সংগঠনের পতাকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে র‌্যালিটি শাহবাগে পৌঁছালে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জাহিদ আহসান, গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান মাহবুব, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম এবং ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূইয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ ডা. রেজওয়ানুল হক, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক হাফেজ আবু মুসা, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি ও জাকসু জিএস মাজহারুরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পূর্ব সভাপতি ও ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হেলাল উদ্দিন এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় অফিস ও পাঠাগার সম্পাদক নূর মুহাম্মদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা বদ্ধপরিকর: শিবির সভাপতি

আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একটি সমৃদ্ধ, ইনসাফভিত্তিক ও আদর্শিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রশিবির বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সংগঠনটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সংগঠনটির র‌্যালি শাহবাগে পৌঁছালে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার ৪৯ বছরে পদার্পণ করে ছাত্রশিবির আজ বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। শত জুলুম ও নির্যাতনের পাহাড় পাড়ি দিয়ে ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে ছাত্রশিবির আজ এক অপরাজেয় কাফেলায় রূপ নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘একটি সমৃদ্ধ, ইনসাফভিত্তিক ও আদর্শিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রশিবির বদ্ধপরিকর।’

তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে দেশ গঠনের কাজে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, গঠনমূলক কাজের মাধ্যমেই ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে এবং এই কাফেলাই আগামী দিনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে, ইনশাআল্লাহ।

একই সঙ্গে তিনি সকল প্রকার আধিপত্যবাদ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অতীতের ন্যায় আগামীতেও ছাত্রশিবিরের আপসহীন সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা ঐতিহাসিক শাহবাগের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই শাহবাগ থেকেই ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর কাসেম আলী এবং দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় সভাপতি কামারুজ্জামানকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি ভারতীয় আধিপত্যবাদের ছকে মব সৃষ্টি করে ভুয়া বিচারের মাধ্যমে শহীদ করেছিল। সময়ের পরিক্রমায় সেই খুনি ও জালিম শক্তিকে পরাজিত করে ছাত্রশিবির আজ সেই একই শাহবাগে সগৌরবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে।

বক্তারা বলেন, এই সত্যের পুনরুত্থান প্রমাণ করে—জুলুম করে আদর্শকে স্তব্ধ করা যায় না; বরং শাহাদাতের রক্তে রঞ্জিত হয়েই এই কাফেলা আরও শক্তিশালী ও সংহত হয়েছে। তারা শহীদদের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করেন।

সমাবেশে শহীদ আবু সাঈদ, আবরার ফাহাদ ও ওসমান হাদীর আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং তাদের হত্যার যথাযথ বিচার দাবি করা হয়।

সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন- সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহ মাহফুজুল হক এবং সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান।

“মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ”- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে বিশাল স্বাগত র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামের নেতৃত্বে র‍্যালিতে সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। নেতাকর্মীরা মাথায় রঙিন ক্যাপ, হাতে সংগঠনের পতাকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে র‌্যালিটি শাহবাগে পৌঁছালে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জাহিদ আহসান, গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান মাহবুব, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম এবং ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূইয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ ডা. রেজওয়ানুল হক, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক হাফেজ আবু মুসা, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি ও জাকসু জিএস মাজহারুরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পূর্ব সভাপতি ও ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হেলাল উদ্দিন এবং ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় অফিস ও পাঠাগার সম্পাদক নূর মুহাম্মদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।