ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ইসিতে নালিশ রুমিন ফারহানার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন ও পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সাবেক নেত্রী ও ব্রাহ্মবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি রিটের জবাব দিয়েছি। আজকে আমি ইসিতেও একটা জবাব নিয়ে এসেছি। আমার প্রচারণার মাঠে থাকার কথা, কিন্তু বাধ্য হয়েই ঢাকায় এসেছি। বিকজ আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রশাসন এবং পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা, ততটা নিরপেক্ষ নয়।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমার কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হয়েছে। তাদেরকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, মাথা ফাটানো হয়েছে, বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয় নাই। সো, আমি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে এসেছি। যেহেতু আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আমাকে বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে।’

ভোটে অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রশাসন যদি এখানে একদম স্ট্রেইট নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে আরেকটা ৫ আগস্টের মতো কিংবা ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতো আরেকটা নির্বাচন যদি হয়, তার পরিণতি ভালো হবে না। কারও জন্যই ভালো হবে না। সো, এই বিষয়গুলো আমি কমিশনকে অবহিত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজার্ভারদের সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমি তাদেরকেও বিষয়গুলো অবগত করব এবং আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, অন্তত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির খেলা কোনো রাজনৈতিক দল যেন করার স্পর্ধা না দেখায়। আমি সকল দলকেই আহ্বান জানাব।’

সুষ্ঠ নির্বাচন যাতে হয় সেই জন্য মানুষ ১৫ বছর লড়াই করেছে উল্লেখ করে রুমিন বলেন, ‘আমরা যে যেই দলেই ছিলাম, আমরা আমাদের অবস্থান থেকে লড়াই করেছি। সো, আরেকটা কারচুপির নির্বাচন, আরেকটা ম্যানিপুলেটেড ইলেকশন বাংলাদেশে আমরা হতে দেব না ইনশাআল্লাহ।’

এর আগে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার এক চিঠিতে এই অভিযোগ আনেন।

২২ জানুয়ারি বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে রুমিন ফারহানাকে সেই অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনে জবাব দেন তিনি।

সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। যার জেরে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসিতে নালিশ রুমিন ফারহানার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন ও পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সাবেক নেত্রী ও ব্রাহ্মবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি রিটের জবাব দিয়েছি। আজকে আমি ইসিতেও একটা জবাব নিয়ে এসেছি। আমার প্রচারণার মাঠে থাকার কথা, কিন্তু বাধ্য হয়েই ঢাকায় এসেছি। বিকজ আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রশাসন এবং পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা, ততটা নিরপেক্ষ নয়।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমার কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হয়েছে। তাদেরকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, মাথা ফাটানো হয়েছে, বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয় নাই। সো, আমি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে এসেছি। যেহেতু আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আমাকে বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে।’

ভোটে অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রশাসন যদি এখানে একদম স্ট্রেইট নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে আরেকটা ৫ আগস্টের মতো কিংবা ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতো আরেকটা নির্বাচন যদি হয়, তার পরিণতি ভালো হবে না। কারও জন্যই ভালো হবে না। সো, এই বিষয়গুলো আমি কমিশনকে অবহিত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজার্ভারদের সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমি তাদেরকেও বিষয়গুলো অবগত করব এবং আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, অন্তত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির খেলা কোনো রাজনৈতিক দল যেন করার স্পর্ধা না দেখায়। আমি সকল দলকেই আহ্বান জানাব।’

সুষ্ঠ নির্বাচন যাতে হয় সেই জন্য মানুষ ১৫ বছর লড়াই করেছে উল্লেখ করে রুমিন বলেন, ‘আমরা যে যেই দলেই ছিলাম, আমরা আমাদের অবস্থান থেকে লড়াই করেছি। সো, আরেকটা কারচুপির নির্বাচন, আরেকটা ম্যানিপুলেটেড ইলেকশন বাংলাদেশে আমরা হতে দেব না ইনশাআল্লাহ।’

এর আগে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার এক চিঠিতে এই অভিযোগ আনেন।

২২ জানুয়ারি বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে রুমিন ফারহানাকে সেই অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনে জবাব দেন তিনি।

সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। যার জেরে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।