ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শাহবাগ থেকে পথযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু হয়েছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এ পথযাত্রা শুরু হয়।

‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পথযাত্রাটি শাহবাগ থেকে শুরু করে সায়েন্সল্যাব-সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর-তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী হয়ে সন্ধ্যায় শাহবাগের হাদি চত্বরে এসে শেষ হবে।

পথযাত্রায় প্রায় ১০টি পিকআপে করে নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হাদি হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শরিফুল ইসলাম বলেন, হাদির বিচারের জন্য এসেছি। হাদির বিচার কেন হবে না আমরা জানতে চাই। এই সরকার কেন বিচার করবে না?

এসময় মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে— ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’; ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’; ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’; ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকায়, হাদি তোমায় দেখা যায়’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ প্রভৃতি।

ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি

১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের বিচারকার্য আগামী ২৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।

৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শাহবাগ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শাহবাগ থেকে পথযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু হয়েছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শাহবাগের হাদি চত্বর থেকে এ পথযাত্রা শুরু হয়।

‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পথযাত্রাটি শাহবাগ থেকে শুরু করে সায়েন্সল্যাব-সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর-তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী হয়ে সন্ধ্যায় শাহবাগের হাদি চত্বরে এসে শেষ হবে।

পথযাত্রায় প্রায় ১০টি পিকআপে করে নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হাদি হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শরিফুল ইসলাম বলেন, হাদির বিচারের জন্য এসেছি। হাদির বিচার কেন হবে না আমরা জানতে চাই। এই সরকার কেন বিচার করবে না?

এসময় মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে— ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’; ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’; ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’; ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকায়, হাদি তোমায় দেখা যায়’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ প্রভৃতি।

ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি

১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের বিচারকার্য আগামী ২৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।

৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।