ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

চলতি মাসে উল্লেখযোগ্য হারে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) আসছে। ডিসেম্বরের প্রথম ২৭ দিনে এসেছে ২৭৫ কোটি মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যদি রেমিট্যান্স আহরণের চলমান এ প্রবাহ অব্যাহত থাকে, তবে ডিসেম্বর মাস শেষে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি মাসের ১ থেকে ২৭ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

এদিকে, প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফনের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখা ও মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রোববার ৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ডলার কিনেছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, শুধু চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক ৯২ কোটি ডলার কিনেছে। আর সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬ মিলিয়ন বা ৩ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও স্বস্তি আছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫৭৯ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩৫৪ কোটি ডলার। আলোচিত সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চলতি মাসে উল্লেখযোগ্য হারে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) আসছে। ডিসেম্বরের প্রথম ২৭ দিনে এসেছে ২৭৫ কোটি মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যদি রেমিট্যান্স আহরণের চলমান এ প্রবাহ অব্যাহত থাকে, তবে ডিসেম্বর মাস শেষে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি মাসের ১ থেকে ২৭ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

এদিকে, প্রবাসী আয়ের উল্লম্ফনের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখা ও মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রোববার ৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ডলার কিনেছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, শুধু চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক ৯২ কোটি ডলার কিনেছে। আর সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬ মিলিয়ন বা ৩ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও স্বস্তি আছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫৭৯ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩৫৪ কোটি ডলার। আলোচিত সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ।