ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বঙ্গোপসাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত

বঙ্গোপসাগরে পারমাণবিক সক্ষম সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপিত একটি মধ্যম-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) অন্ধ্র প্রদেশর বন্দরনগরী বিশাখাপত্তনমের উপকূলে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন ‘আইএনএস আরিঘাট’ থেকে ‘কে-৪’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩,৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সমুদ্র-ভিত্তিক পারমাণবিক আক্রমণ ক্ষমতাকে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে।

কে-৪ সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (এসএলবিএম) গত বছরের ২৯ আগস্ট ভারতীয় নৌবাহিনীতে কমিশন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রের তলদেশ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম দেশগুলোর একটি ছোট গ্রুপের অংশ হয়ে ওঠে দেশটি।

ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ‘অগ্নি-৩’ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে উদ্ভূত এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ পাল্লার সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য কৌশলগত অস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটির স্থল সংস্করণটি সমুদ্রে উৎক্ষেপণের জন্য পরিবর্তিত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২৫০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং ভারতের অরিহন্ত-শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য।

এনডিটিভি বলছে, এই কে-সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের ‘কে’ নাম দেওয়া হয়েছে- ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে আব্দুল কালামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, যিনি ভারতের ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে (আইজিএমডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এরআগে গত সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে ৩২৪০ কিলোমিটারের বিশাল এলাকা জুড়ে নোটাম (নোটিস টু এয়ারমেন) জারি করেছে ভারত। গত ২২ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত জারি ছিল এই নোটাম। এই নোটাম জারির পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয় যে ভারত হয়ত সমুদ্রভিত্তিক কোনও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত

আপডেট সময় : ০৭:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে পারমাণবিক সক্ষম সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপিত একটি মধ্যম-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) অন্ধ্র প্রদেশর বন্দরনগরী বিশাখাপত্তনমের উপকূলে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন ‘আইএনএস আরিঘাট’ থেকে ‘কে-৪’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩,৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সমুদ্র-ভিত্তিক পারমাণবিক আক্রমণ ক্ষমতাকে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে।

কে-৪ সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (এসএলবিএম) গত বছরের ২৯ আগস্ট ভারতীয় নৌবাহিনীতে কমিশন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রের তলদেশ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম দেশগুলোর একটি ছোট গ্রুপের অংশ হয়ে ওঠে দেশটি।

ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ‘অগ্নি-৩’ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে উদ্ভূত এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ পাল্লার সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য কৌশলগত অস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটির স্থল সংস্করণটি সমুদ্রে উৎক্ষেপণের জন্য পরিবর্তিত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২৫০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং ভারতের অরিহন্ত-শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য।

এনডিটিভি বলছে, এই কে-সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের ‘কে’ নাম দেওয়া হয়েছে- ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে আব্দুল কালামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, যিনি ভারতের ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে (আইজিএমডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এরআগে গত সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে ৩২৪০ কিলোমিটারের বিশাল এলাকা জুড়ে নোটাম (নোটিস টু এয়ারমেন) জারি করেছে ভারত। গত ২২ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত জারি ছিল এই নোটাম। এই নোটাম জারির পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয় যে ভারত হয়ত সমুদ্রভিত্তিক কোনও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি